লাভপুর কাণ্ডে মুকুল রায়ের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হাইকোর্টে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বীরভূমের লাভপুরে তিন সিপিএম কর্মী খুনের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে যে তদন্ত শুরু হয়েছিল, তাতে সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিটে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া লাভপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের সঙ্গে নাম রয়েছে একদা তৃণমূলের সেকেন্
শেষ আপডেট: 10 December 2019 11:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বীরভূমের লাভপুরে তিন সিপিএম কর্মী খুনের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে যে তদন্ত শুরু হয়েছিল, তাতে সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিটে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া লাভপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের সঙ্গে নাম রয়েছে একদা তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান তথা অধুনা বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন মুকুল রায়। এদিন সেই আবেদন খারিজ করে দিল হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার হাইকোর্টের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, মুকুল রায়ের তরফে যে আগাম জামিনের আবেদন করা হয়েছে তা ত্রুটিপূর্ণ। সুতরাং সেই আবেদন গৃহীত হবে না। মুকুলবাবু চাইলে ফের নতুন করে আবেদন করতে পারেন। আর সেটা মামলার শুনানি শুরু হওয়ার আগেই করতে হবে। অবশ্য বিজেপি নেতা ফের আবেদন করবেন কিনা সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি।

২০১০ সালের ৪ জুন লাভপুরের নবগ্রামে সালিশি সভার নাম করে তিন ভাই কুটুন শেখ, ধানু শেখ ও তরুক শেখকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ ওঠে মনিরুল বাহিনীর বিরুদ্ধে। ওই তিন ভাই সিপিএম করতেন। তোলপাড় পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। সেই সময়ে মনিরুল ছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা। ফরওয়ার্ড ব্লক তখন বহিষ্কার করে মনিরুলকে। পরে তিনি যোগ দেন তৃণমূলে।
লাভপুর মামলার তদন্তে ৫২ জনের নামে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। কিন্তু তাতে নাম ছিল না মনিরুলের। যে তিন ভাই খুন হয়েছিলেন, তাঁদের দাদা মামলা করেছিলেন। পরে সেই মামলা তুলেও নেন তিনি। অনেকের মতে, মনিরুলদের চাপেই সে সময় মামলা তুলে নিয়েছিলেন দাদা। কিন্তু তিন সন্তানের মা রেজিনা বিবি মামলা করেন। জানিয়ে দেন, তিনি শেষ দেখে ছাড়বেন। সেই মামলা গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত।
গত ৪ ডিসেম্বর সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিট জমা পড়ে। বীরভূমের পুলিশ সুপার শ্যাম সিং জানিয়েছেন, যে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছিল তা গৃহীত হয়েছে। কিন্তু মুকুল রায়ের নাম সেখানে কী ভাবে এল সে নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি পুলিশ।