শেষ আপডেট: 23 June 2020 15:26
‘প্রধানমন্ত্রীর চিঠি’ বিলি করতে ১৭ তারিখ সন্ধ্যায় দাঁতনের কুসমি গ্রামে গৃহ সম্পর্ক যাত্রায় বের হন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। তখন লাঠি, রড প্রভৃতি নিয়ে তাঁদের উপরে আচমকা হামলা করে এক দল দুষ্কৃতী। তারা সকলে তৃণমূল আশ্রিত বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন ছ’জন বিজেপি কর্মী। তাঁদের প্রথমে দাঁতন গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দু’জনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁদের সেখান থেকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তাঁদের মধ্যে পবন জানা নামে এক কর্মীর অবস্থার অবনতি হয়। তাঁকে কলকাতায় পাঠানো হয়। পরের দিন বিকেলে পবনের মৃত্যু হয়। পরে তৃণমূল অভিযোগ করে বিজেপির হামলায় তাদের দুই কর্মী আহত হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে তারা অভিযোগও দায়ের করে।
পবনের মৃত্যুর খবর পেয়ে জেলা জুড়ে প্রতিবাদ শুরু করে বিজেপি। দাঁতন থানার সামনে শুরু হয় অবস্থান বিক্ষোভ। দীর্ঘক্ষণ পরে বিক্ষোভ তুলে নেয় বিজেপি। তার আগে থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় বিজেপি নেতারা। পুলিশ শাসকদলের হয়ে কাজ করছে বলেও তাঁরা অভিযোগ করেন।
গত শনিবার নিহত পবন জানাকে শ্রদ্ধা জানাতে পশ্চিম মেদিনীপুরে যান দিলীপ ঘোষ। তাঁর উপস্থিতিতে মেদিনীপুর থেকে মরদেহ দাঁতনে নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় নেতা জ্যোতির্ময় সিং মাহাত-সহ অন্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা।