
শেষ আপডেট: 4 August 2020 14:15
জীর্ণ ওই বাড়ির একটি ঘরে মঙ্গলবার সকালে আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। তাতে সবকটি ঘরই কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি ঘর ভেঙেও পড়েছে। বাড়ির কংক্রিটের দেওয়ালের অংশ এবং ইট অনেক দূর পর্যন্ত ছিটকে যায়৷ কী ভাবে বিস্ফোরণ হল তা বুঝতে পারছেন না এলাকার লোকজন। ওই বাড়িতে কারও যাতায়াত ছিল কিনা সে ব্যাপারে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছেন গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামের বাসিন্দা রহমতুল্লা বিবি বলেন, "তখন আমি গোয়ালে কাজ করছি। আচমকা বিকট শব্দ শুনতে পাই। ছুটে গিয়ে দেখি কাশেম আলির ঘরটা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে। বাড়ি থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। বন্ধ বাড়িতে কী করে বিস্ফোরণ হল বুঝতে পারছি না।" বিস্ফোরণে অবশ্য হতাহতের কোনও খবর নেই৷
খবর পেয়ে ইলামবাজার থানার পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। সেখানে গিয়ে বিস্ফোরণস্থল ঘিরে ফেলে তারা। খবর দেওয়া হয় সিআইডি বম্ব স্কোয়াডে৷ বোলপুর থেকে বম্ব স্কোয়াডের প্রতিনিধিরা গিয়ে ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে দেখেন। তাঁরা নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান মজুত করে রাখা বোমা থেকেই বিস্ফোরণ হয়েছে। তবে কে বা কারা কী উদ্দেশে বোমা মজুত করেছিল তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
বছর খানেক আগেও একই ভাবে একটি বিস্ফোরণ ঘটেছিল জেলারই লাভপুরের দাঁড়কা গ্রামে একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। সেটিও বহুদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিল। তার আগে ২০১৭ সালেও লাভপুরের ওই গ্রামে বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল একটি বাড়ি।