ভাইফোঁটার উপহার, সিঙ্গুরের বেচারাম মান্না পেলেন আটটি হেলমেট
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মন্ত্রীত্ব নেই তাঁর। এখন তিনি সাধারণ একজন বিধায়ক। জেলার রাজনীতিতেও খুব একটা সুবিধাজনক জায়গায় নেই। তবু এখনও যে তাঁর দিদির প্রতি আনুগত্য অটুট, এখনও যে তিনি দিদির দেওয়া স্লোগানকেই জনমানসে প্রচার করে এগোতে চান তা আরও একবার প্রম
শেষ আপডেট: 9 November 2018 10:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মন্ত্রীত্ব নেই তাঁর। এখন তিনি সাধারণ একজন বিধায়ক। জেলার রাজনীতিতেও খুব একটা সুবিধাজনক জায়গায় নেই। তবু এখনও যে তাঁর দিদির প্রতি আনুগত্য অটুট, এখনও যে তিনি দিদির দেওয়া স্লোগানকেই জনমানসে প্রচার করে এগোতে চান তা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন হরিপালের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বেচারাম মান্না।
সিঙ্গুরে রতনপুরের বাড়িতে এ দিন আট বোনের থকে ভাই ফোঁটা নেন বেচারাম মান্না। পরনে কাঁচা হলুদ রঙের পাঞ্জাবী, মাটিতে বাবু হয়ে বসে একে একে আট বোনের থেকে ফোঁটা নিলেন তিনি। কিন্তু চোখ কেড়ে নিল বেচারামের ব্যাকগ্রাউন্ড। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাসি মুখের ছবি-সহ ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ লেখা’ ব্যানার। আর বেচাবাবুর আট বোন। তাঁরা সকলেই হেলমেট উপহার দিয়েছেন ভাই ফোঁটায়।
আরও পড়ুন- ‘হ্যালো! একদম প্রাণে মেরে দেব’, একাধিকবার তৃণমূল বিধায়ককে হুমকির অভিযোগ
[caption id="attachment_50291" align="aligncenter" width="1268"]
ভাইফোঁটায় বেচারাম মান্না [/caption]
সিঙ্গুর আন্দোলনের অবিসংবাদী নেতা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রকল্প বাংলার দিদি-বোনেদের মধ্যেও প্রভাব ফেলেছে। সব বোনেরাই চান তাঁদের ভাইয়েরা যাতে সুরক্ষিত থাকে। তাই ভাইফোঁটার মতো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের প্রচারের আরও ব্যপ্তি ঘটাতেই এই উদ্যোগ।” সঙ্গে বেচাবাবুর পরামর্শ, এই ধরনের অনুষ্ঠানে জামা-কাপড় না দিয়ে হেলমেট দেওয়া উচিত।
২০১৬ সালের ভোটের সময় গোটা হরিপাল দু’লাইনের একটি স্লোগানে ভরিয়ে দিয়েছিলেন শাসক দলের কর্মীরা। ‘চকচকে রাস্তা, ঝকঝকে আলো, জনগণ বলছে বেচাদা-ই ভাল।’ এগারোর ভোটের থেকে আরও বেশি মার্জিনে জিতেছিলেন। কিন্তু তার পরেও গত কয়েক বছরে হরিপাল, সিঙ্গুর, কামারকুণ্ডু-সহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষত দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে এই দুর্ঘটনার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। অনেকেই বলছেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে সঠিক কাজ করেছেন বেচাবাবু। আবার শাসক দলের অন্দরে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠীর কেউ কেউ সিঙ্গুর স্টেশন লাগোয়া ঠাকুরের চায়ের দোকানে বসে ঘরোয়া আড্ডায় বলেও ফেললেন, “দিদির থেকে নম্বর পাওয়ার চেষ্টা!”
The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন