
শেষ আপডেট: 9 July 2020 16:18
কুমারগঞ্জের বিধায়ক তৃণমূল বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডল[/caption]
এদিনের ৩০ জন সংক্রামিতকে নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭৭ জন। তাঁদের মধ্যে ২১০ জন সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন। নতুন আক্রান্তদের সেফ কোভিড হাসপাতালে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
কুমারগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডলকে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ফোন করে জানান করোনা পরীক্ষায় তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ ধরা পড়েছে। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছ থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পরে করোনা চিকিৎসার জন্য গঠিত অস্থায়ী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। এ মাসের ২ তারিখে করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন তোরাফ। শরীরে কোনও রকম উপসর্গ বা অসুবিধা না থাকায় জেলায় তৃণমূলের সব কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এদিন রিপোর্ট পজিটিভ জানার পরে তিনি নিজেই সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চলে যান। আজ তাঁর দুই ছেলে ও স্ত্রীর করোনাভাইরাস পরীক্ষা হয়েছে।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশে যে সমস্ত কর্মসূচি পালন করতে বলা হয়েছিল তার সব কটিই পালন করেছিলেন তোরাফ হোসেন মণ্ডল। তাই তাঁর করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ায় দলে তাঁর সহকর্মীরা, বিশেষ করে কুমারগঞ্জ এলাকার তৃণমূল কর্মীরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
জেলায় করোনার সংক্রমণ রুখতে এদিন বিকেল পাঁচটা থেকে দক্ষিণ দিনাজপুরের ছ’টি এলাকায় ফের লকডাউন শুরু করা হয়েছে। জেলার বালুরঘাট, গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুর – তিনটি পুরসভাই লকডাউনের আওতায়। পাশাপাশি গঙ্গারামপুর ব্লকের উদয় গ্রাম পঞ্চায়েত, কুমারগঞ্জ ব্লকের ভোঁওড় গ্রাম পঞ্চায়েত এবং হিলি ব্লকের বিনশিরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাকে লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।