লখনউ বিমানবন্দরে আটক তৃণমূলের প্রতিনিধিদল, পুলিশের বিরুদ্ধে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগ দীনেশদের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার সকালেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজি ওপি সিং বলেছিলেন, তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। হলও তাই। বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ লখনউ বিমানবন্দরে নামলে, তৃণমূলের প্রতিনিধিদলক
শেষ আপডেট: 22 December 2019 10:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার সকালেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজি ওপি সিং বলেছিলেন, তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। হলও তাই। বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ লখনউ বিমানবন্দরে নামলে, তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে আটকে দিল পুলিশ। বিমানবন্দরের বাইরেই বেরোতে দেওয়া হয়নি দীনেশ ত্রিবেদী, প্রতিমা মণ্ডলদের।
অতীতে এনআরসি নিয়ে অসমে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে শিলচরে পাঠিয়েছিলেন মমতা। তখনও অসম পুলিশ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে দেননি। তা নিয়ে কম ধুন্ধুমার হয়নি। এদিন তেমন কিছু না হলেও, উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে দুর্ব্যভারের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের প্রাক্তন ও বর্তমান সাংসদরা।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "আমরা নামতেই ওরা ধাক্কাধাক্কি শুরু করে দেয়। তারপর বাসে তুলে আমাদের বিমানবন্দরের মধ্যেই একটি জায়গায় এনে বসানো হয়েছে।" ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ তথা প্রাক্তন রেলমন্ত্রী বলেন, "ব্রিটিশ পুলিশ এই ধরনের আচরণ করত। স্বাধীন ভারতের কোনও রাজ্যে পুলিশ এমন আচরণ করতে পারে তা ধারণাই ছিল ছিল না।" বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত খবর বিমানবন্দরেই রয়েছেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা।
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে ধুন্ধুমার চলছে উত্তরপ্রদেশে। রবিবার দুপুর পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশে তৃণমূল প্রতিনিধিদল গেলে উত্তেজনা বাড়বে বইকি কমবে না বলেই সেখানকার প্রশাসনের ধারণা। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওপি সিং। দীনেশ ত্রিবেদীর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন তিন সাংসদ—প্রতিমা মণ্ডল, আবির বিশ্বাস ও নাদিমুল হক।
তাৎপর্যপূর্ণ হল, বাংলায় যখন কৈলাস বিজয়বর্গীয় সহ বিজেপি নেতারা উপদ্রুত এলাকায় যেতে চাইছেন, তখন তাঁদের হয় তৃণমূল বা পুলিশ প্রশাসন বাধা দিচ্ছে। অনেকের মতে, যতটা না সহানুভূতি দেখানোর উদ্দেশে এই ধরনের প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়, তার তুলনায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য অনেক বড় হয়ে ওঠে। তাই কোনও শাসক দলই তাদের উপদ্রুত এলাকায় যেতে দেয় না। তা সে তৃণমূল হোক বা বিজেপি।