
শেষ আপডেট: 23 May 2022 16:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধীরে ধীরে পর্দা সরছে খড়দহের (Khardah) যুবক খুনের রহস্য থেকে। এই ঘটনায় মৃত যুবক শুভজ্যোতি বসুর স্ত্রী পূজা, তাঁর বান্ধবী শর্মিষ্ঠা ও শর্মিষ্ঠার স্বামী সুবীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানতে পেরেছে, শুভজ্যোতিকে খুন করেছে সুবীরই (Khardah)। জিজ্ঞাসাবাদে সুবীর জানিয়েছে, পূজাকে বিয়ে করার দেড় মাস পর শুভজ্যোতির নজর পড়েছিল তার স্ত্রী শর্মিষ্ঠার দিকে। সে শর্মিষ্ঠাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল। সেই কথাই জানতে পেরেছিল সুবীর। আর সেই আক্রোশেই শুভজ্যোতিকে অপহরণ করে খুন করেছে সে।
আরও পড়ুন: কবর থেকে তুলে বাবা-মা দেখলেন মেয়ে এখনও বেঁচে! একরত্তিকে 'মৃত' লিখে দিয়েছিল হাসপাতাল
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুবীর তার স্ত্রীর প্রতি খুবই স্পর্শকাতর। এর আগেও এক যুবক শর্মিষ্ঠাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তাতে সুবীর ওই যুবককেও খুন করার চেষ্টা করে (Khardah)। তবে ওই যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যান ওই যুবক। ওই ঘটনাতে সুবীর খুনের চেষ্টার অভিযোগে জেলও খাটে। গত দেড় মাস আগেই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে সুবীর।
উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পূজার সঙ্গে শুভজ্যোতির আলাপ হয়। সেখান থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে পূজাকে বিয়ে করেন শুভজ্যোতি। কিন্তু বেশি দিন পূজা শুভজ্যোতির খড়দহের বাড়িতে থাকেননি। বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যে পূজা সেখান থেকে শর্মিষ্ঠার শ্রীরামপুরের বাড়িতে চলে আসেন। শুভজ্যোতিও পূজার খোঁজে শ্রীরামপুরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর পর থেকে বাড়ি ফেরেননি।
এদিকে খড়দহে শুভজ্যোতির বৃদ্ধ বাবা-মাও ছেলেকে খুঁজে পেতে পুলিশের দারস্থ হন। তিনবার অভিযোগও দায়ের করেন। কিন্তু খোঁজ পাননি ছেলের। অবশেষে ২২ দিন পর শুভজ্যোতির মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে পুলিশ মৃতের পরিচয় জানতে পারেনি। পরে শুভজ্যোতির বাবা-মাকে ডেকে পাঠিয়ে দেহটি সনাক্ত করানো হয়। ছেলের হাতে ট্যাটু দেখেই শুভজ্যোতির দেহ চিনতে পারেন তাঁর বাবা-মা।