
শেষ আপডেট: 30 May 2023 07:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাগরদিঘির উপনির্বাচনে জয়ী কংগ্রেস বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস (Bayron Biswas) তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তীব্র অসন্তোষ জানাল সর্বভারতীয় কংগ্রেস। মঙ্গলবার সকালে এ ব্যাপারে ট্যুইট করে রাহুল গান্ধী ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh) বলেছেন, তৃণমূল এটা ভাল করল না। সাগরদিঘির মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হল। এর আগেও যেভাবে গোয়া, মেঘালয় ও ত্রিপুরায় দল ভাঙানো হয়েছে তা বিরোধী ঐক্যেকে কোনও ভাবেই মজবুত করবে না। বরং বিজেপিকে সাহায্য করবে।
আগামী ১২ জুন পাটনায় সমস্ত বিরোধী দলগুলির বৈঠক ডেকেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। ওই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিত থাকার কথা। আবার কংগ্রেসের তরফে থাকতে পারেন রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের মতো নেতারা। প্রশ্ন হল, সাগরদিঘির ঘটনা কি ওই বৈঠকে কোনও ছায়াপাত করবে?
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, জাতীয় স্তরে বিরোধী ঐক্য মজবুত করার এখন বড় দায় কংগ্রেসেরই। ফলে সাগরিদিঘিতে যা ঘটেছে তা আঁকড়ে বসে থাকলে কংগ্রেসের ক্ষতি বই লাভ নেই। প্রথম কথা হল, এখানে তৃণমূলকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। বাংলায় কংগ্রেস হল তৃণমূলের বিরোধী শক্তি। তৃণমূল সর্বদাই চাইবে তার পথ কাঁটামুক্ত রাখতে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের একাংশের ব্যক্তিগত লোভ, সুবিধার রাজনীতি ও আনুগত্যের অভাব রয়েছে। ছোট দলে থেকে লড়াই বা পরিশ্রম করার ধৈর্য্য তাঁদের নেই। সেই সুযোগটাই নিয়েছে তৃণমূল। এতে জোড়াফুলের যত না দোষ, তার থেকে কংগ্রেসের দুর্বলতাই বেশি। সম্ভবত সেটা জয়রামও বোঝেন। কিন্তু রাজনীতিতে কখনও কখনও সব বুঝেও প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়। জয়রামও হয়তো সেটাই করেছেন।
মমতা যেতে চান মণিপুর, কেন্দ্র ও সেনার সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী