
শেষ আপডেট: 20 March 2023 13:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এলডোরাডো আসলেই মিথ। তবে পৃথিবীতে সোনার শহর না থাকলেও, সোনার খনি আছে! মাটির নীচে নয়, মোবাইল ফোনে!
নিয়োগ দুর্নীতি গ্রেফতার হওয়া শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের দু’টি আইফোন ও একটি অ্যানড্রয়েড ফোন পেয়েছিলেন ইডি আধিকারিররা। শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোবাইল ফোনকে সোনার খনি বলে আদালতে উল্লেখ করেছিল ইডি (ED)। সেই ফোন থেকেই শান্তনু ও অয়ন শীলের চ্যাটের সন্ধান পান গোয়েন্দারা। সোমবার অয়নকে আদালতে পেশ করে ইডি বলেছে, তারা সোনার খনিতে (Gold Mine) ঢুকে পড়েছে। কিন্তু সেই খনি থেকে দুর্নীতি যোগের মাত্র ১০ শতাংশ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। ৯০ শতাংশ এখনও বাকি।
শনিবার বলাগড়ের একটি রিসর্টে শান্তনু-ঘনিষ্ঠ কয়েক জনকে জেরা করেন ইডির আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ইডির একটি দল পৌঁছে যায় অয়নের বাড়ি ও সল্টলেকের অফিসেও। প্রায় ৩৭ ঘণ্টা তল্লাশি শেষে গ্রেফতার করা হয় অয়ন শীলকে। সোমবারই তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
ইডি সূত্রে খবর, অয়নের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২৫ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির পাশাপাশি একাধিক দফতরে দুর্নীতির তথ্যসূত্র পেয়েছে ইডি। এরপরই ইডি জানায়, সোনার খনিতে প্রবেশ করা গিয়েছে।
অয়নের সল্টলেকের অফিস থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি ম্যাকবুক, একটি কম্পিউটার-সহ নিয়োগ সংক্রান্ত লেনদেনের নথি উদ্ধার হয়েছে। তার মধ্যে চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা পাওয়া গেছে। ইডি সূত্রের দাবি, প্রায় ৪০০ ওএমআর শিট উদ্ধার হয়েছে অয়নের অফিস থেকে। এক জন প্রোমোটারের অফিসে এইসব সরকারি নথি এল কী ভাবে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
ইডি সূত্রে আরও খবর, ৬০টি পুরসভায় মোট ৫০০০ ভুয়ো নিয়োগ হয়েছে। চাকরি বিক্রির টাকার হিসেব করলে যার মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা। আর এই ভুয়ো চাকরির মূল পাণ্ডা এই অয়ন শীল। কিন্তু শান্তনুর সঙ্গে যতই ঘনিষ্ঠ যোগসূত্র হোক, একজন প্রমোটারের পক্ষে এত ভুয়ো নিয়োগ কীভাবে সম্ভব হল তাও দেখছে পুলিশ।
বাংলায় চিটফান্ড কাণ্ডে ইডির নজরে থাকা সচ্চিদানন্দ বিহারে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে ঘুরছেন!