
শেষ আপডেট: 14 April 2022 14:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক হাতে খাঁড়া। অন্য হাতে ধরা সাইকেলের হ্যান্ডেল। সাঁইসাঁই চলেছেন কালী ঠাকুর। আর তাঁর পিছনে ত্রিশূল হাতে ছুটছে শিব,পার্বতী-সহ অন্য দেবদেবীরা। চৈত্র সংক্রান্তি যে (Charak Festival)! প্রতিবারেই বিশেষ এই দিনে স্কুলপড়ুয়াদের এমন কাণ্ডে হৈচৈ পড়ে যায় জলপাইগুড়ির তিস্তা পারে। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না।
চড়ক পুজোর (Charak Festival) ঐতিহ্য মোটের উপর হারিয়ে গেছে শহর থেকে। তবে গ্রাম বাংলা কিন্তু এখনও ধরে রেখেছে এই ঐতিহ্য। প্রতি চৈত্র সংক্রান্তিতেই কচিকাঁচারা শিব-পার্বতী ও অন্যান্য বিভিন্ন দেবদেবী সেজে গ্রামের বাড়ি বাড়ি যায়। তারপর সিধে তুলে পূজো দেয়। বাংলার এই প্রাচীন ঐতিহ্যের আধুনিক রূপ দেখা গেল জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া তিস্তা নদীর পারের গ্রামগুলিতে।
বৃহস্পতিবার চৈত্র শেষের চড়ক পুজো (Charak Festival)। তিস্তা পাড়ে থাকা সারদা পল্লী, সুকান্তনগর-সহ বিভিন্ন গ্রামের স্কুল পড়ুয়া ছাত্ররা কালী-শিব-পার্বতী সেজে গ্রামে গ্রামে ঘুরছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করছে চাল ডাল টাকাপয়সা। সংগ্রহের সবটাই তারা পুজোর কাজে লাগাবে। কালী কিংবা শিব সেজে গ্রামের বাড়িগুলিতে গিয়ে মানুষকে আনন্দ দিয়ে তারাও যে আনন্দ পায়। আর এই আনন্দেই মেতে ওঠে তিস্তাপাড়।
প্রাণে মারার হুমকির পরেই আত্মহত্যার চেষ্টা ময়নাগুড়ির নির্যাতিতা নাবালিকার