
শেষ আপডেট: 12 December 2019 11:38
আদালতে দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য যে নির্দেশিকা রয়েছে তা পালনে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করে দূষণ নিয়ন্ত্রণ কথা ভাবা হোক। এর জন্য স্মারকলিপি জমা দেওয়া সত্ত্বেও কোনও উত্তর তাঁরা পাননি বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।
অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুনীল সিং বলেন, “ধরুন আগে যে ভাড়া ছিল দু’হাজার টাকা এখন তা বেড়ে হয়েছে তিরিশ হাজার টাকা। শুধু তাই নয়, যাঁরা কয়েক পুরুষ ধরে একই জায়গায় ব্যবসা করে আসছে তাদের বলা হচ্ছে আগের জায়গা পাবে না। গ্রিন বেঞ্চ এই মেলা ছ’দিন পর্যন্ত করতে ছাড় দিয়েছে, সকলে তা মেনেও নিয়েছে কিন্তু উপাচার্য তা কমিয়ে চার দিন করে দিয়েছেন। উনি দোল-পৌষমেলা কিছুই করতে দিতে রাজি নন। আমাদের সঙ্গে কথাও বলতে চাইছেন না। ব্যবসাই এখানে শেষ কথা নয়, এর সঙ্গে আমাদের আবেগ, ঐতিহ্য ও বাংলার সম্মান জড়িয়ে আছে।”
রবীন্দ্র পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর বলেন, “অনলাইন বুকিং হলে ভাল, এতে আপত্তির কিছু দেখছি না, তবে অকারণ যদি বেশি ভাড়া নেওয়া হয় সেটা ঠিক নয়।” হস্তশিল্পীদের সমস্যা সম্বন্ধে তাঁর বক্তব্য, “এঁদের ছাড়া এই মেলা অর্থহীন। এই মেলা ঐক্যবদ্ধ সঙ্গমের মেলা, এখানে এত বিক্ষোভ ও বিরোধিতা ভীষণ দুঃখজনক।”
শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য অনিল কোঙার এই বিষয়ে বলেছেন, “আমাদের অনলাইনে স্টল বুকিং চলছে, মেলার প্রস্তুতি চলছে, তবে ধীর গতিতে।” তিনি জানিয়েছেন, পরিবেশ আদালত নির্দেশ দিযেছে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মেনে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে। বিষয়টি দেখে রিপোর্ট দেবেন সরকারি আধিকারিকরা। ৩১ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানি।
বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতি ও প্যান্ডেল ডেকরেটর অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা পৌষমেলা প্রাঙ্গণে জমায়েত হয়েছেন। দাবি মানা না হলে মেলা করতে দেবেন না বলে তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অনিল কোঙার মনে করেন, সকলে মিলে আলোচনা করে এই অনিশ্চয়তা দূর করতে হবে।