সবাই 'ট্রোজান হর্স' নয়, মুকুল রায় প্রসঙ্গে মন্তব্য স্বপন দাশগুপ্তর, তথাগত-দিলীপের সঙ্গে মিলল না সুর
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৯ সালের মে মাসের পরে বঙ্গ বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন যাঁরা, তাঁদের সকলেই ক্ষমতালোভী বা সুযোগসন্ধানী নন। বিজেপির দলীয় ভাঙনের আবহে এবার এমনই মন্তব্য করলেন পদ্ম শিবিরের রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। তাঁর টুইটের সঙ্গে সঙ্গেই আর
শেষ আপডেট: 14 June 2021 09:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৯ সালের মে মাসের পরে বঙ্গ বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন যাঁরা, তাঁদের সকলেই ক্ষমতালোভী বা সুযোগসন্ধানী নন। বিজেপির দলীয় ভাঙনের আবহে এবার এমনই মন্তব্য করলেন পদ্ম শিবিরের রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। তাঁর টুইটের সঙ্গে সঙ্গেই আরও একবার সামনে এল বিজেপির অন্তর্কলহ।
শনিবার মুকুল রায়ের তৃণমূলে যোগদানের পরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেছিলেন, ক্ষমতালোভীদের রাখবে না দল। বিজেপিতে থাকতে গেলে ত্যাগ করতে হবে অনেক কিছু। এই প্রসঙ্গে ফের আজ তিনি মন্তব্য করেন, 'চর্বি বেশি হলে দেখতে ভাল লাগে না, চর্বি ঝরে গেলেই ভাল।'
স্বপন দাশগুপ্তর গলায় শোনা গেল উল্টো সুর। তিনি এদিন টুইটে লেখেন, "অনেক নতুন নেতারা আন্তরিকতার সঙ্গে দলে যোগদান করেছেন, নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের ট্রোজান হর্সের সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়। এগুলি অপ্রয়োজনীয়। রাজনীতি বাদ দেওয়ার খেলা নয়। বরং সমর্থন বাড়িয়ে নতুন নতুন নেতা তৈরির সময়।"
https://twitter.com/swapan55/status/1404314004550348801
শুধু দিলীপ ঘোষ নয়, বেসুরো নেতাদের নিয়ে তথাগত রায়ের মন্তব্যেরই আসলে জবাব দিয়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত। কারণ মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে যাওয়ার পরে তাঁকে ইলিয়াড মহাকাব্যের ট্রয়ের ঘোড়ার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন বিজেপি নেতা তথাগত রায়ই।
তথাগত টুইটে লিখেছিলেন, "স্পষ্টই মুকুল রায় ছিলেন ট্রোজান হর্স। বিজেপি তাঁকে স্বাগত জানানোর পরে তিনি দলের সর্বভারতীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুললেন। দলের অন্দরের সমস্ত কথা বিস্তারিত ভাবে জেনে তৃণমূলে ফিরে গেলেন।"
তবে এমন সমীকরণ মানতে নারাজ স্বপন দাশগুপ্ত। তিনি এদিন এও লেখেন, "যাঁরা রাজনৈতিক দলকে একাই ব্যক্তিগত মতামতের জায়গা হিসেবে দেখেন এবং তৃপ্তি লাভ করেন তাঁদের জন্য বিকল্প দরজা সবসময় খোলাই থাকে।"
https://twitter.com/swapan55/status/1404315976473083905