
দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় নতুন অতিথি
শেষ আপডেট: 31 August 2024 17:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো, শিলিগুড়ি: পুজোয় পাহাড়ে যাওয়ার টিকিট কাটা হয়ে গেছে অনেকেরই। তাঁদের জন্য রঙের ডালি সাজিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা যেমন অপেক্ষায় থাকবে, তেমনি অপেক্ষা করবে আরও ছয় খুদে। আপাতত পাহাড়ের গায়ে তোবগেদাড়ায় বেড়ে উঠছে তারা। খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছে প্রকৃতির সঙ্গে। দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু জ়ুলজিক্যাল পার্কে জন্ম নিয়েছে চারটি লাল পান্ডা ও দু’টি স্নো লেপার্ড। চিড়িয়াখানার কর্মীদের তত্ত্বাবধানে এখন তাদের বড় হয়ে ওঠার পালা।
একসঙ্গে ছয় নতুন অতিথির আগমনে খুশির আবহ পদ্মজা নাইডু জ়ুলজিক্যাল পার্কে। চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলাইচি বলেন, ‘‘আমরা দারুণ খুশি। ক্যাপটিভ ব্রিডিং প্রোগ্রামে আরও চারটি রেড পান্ডা এবং দু’টি স্নো লেপার্ডের জন্ম হয়েছে৷ প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছে।’’ এই চিড়িয়াখানার অধীনে তোবগেদাড়া প্রজনন কেন্দ্র। সেখানেই জন্ম হয়েছে শাবকগুলির।
জুলাই মাসের শেষের দিকে চার শাবকের জন্ম দেয় লাল পান্ডা দম্পতি নিক্কি আর প্রন্ন। ওই সময়েই স্নো লেপার্ড রাহানা দুই শাবকের জন্ম দিয়েছে ৷ কিন্তু চিড়িয়াখানার নিয়ম অনুযায়ীই এতদিন তাদের জন্মের খবর প্রকাশ্যে আনা হয়নি। নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরেই একসঙ্গে ছয় শাবকের জন্মের খবর দিল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। দেখানো হল ছবিও।
নতুন চারটি শাবকের জন্মের পর দার্জিলিং এর চিড়িয়াখানায় লাল পান্ডার সংখ্যা দাঁড়াল ১৯। অন্যদিকে স্নো-লেপার্ডের সংখ্যা বেড়ে হল ১১। ১৯৫৮ সালে ২৭.৩ হেক্টর জায়গা জুড়ে তৈরি হয়েছিল এই চিড়িয়াখানা। সেখানেই ১৯৮৩ সালে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের ক্যাপটিভ ব্রিডিং প্রোগ্রাম চালু হয়। এর আগে হিমালয়ান নেকড়ে, হিমালয়ান নীল ভেড়া, হিমালয়ান থরের মতো বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদেরও কৃত্রিম প্রজনন সফল হয়েছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানায়।