
শেষ আপডেট: 17 February 2023 06:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম: বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলে (electricity bill) নাজেহাল বেলপাহাড়ির (Belpahari) ডোমপাড়ার বাসিন্দারা। অন্ধকারে দিন কাটছে তাঁদের। বিষয়টি সামনে আসতেই মাধ্যমিক পরীক্ষা বলে আপাতত বিদ্যুৎ সংযোগ জুড়ে দেওয়া হলেও বকেয়া টাকা মেটানোর দিন বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোথা থেকে মেটাবেন ২৫ থেকে ৫০ হাজার টাকার বকেয়া বিল, তা ভেবে ঘুম চলে গিয়েছে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলোর।
বাঁশের ঝুড়ি-ঝাঁটা তৈরি করে তা বিক্রি (baskets makers) করে কোনওমতে দিন কাটে। একেকটা বাঁশের দাম ১০০ থেকে দেড়শো টাকা। একটা বাঁশ থেকে চার–পাঁচটা ঝুড়ি হয়। ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এখন টাকার অভাবে বাঁশও তাঁরা কিনতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে জঙ্গল থেকে লতা এনে ঝুড়ি বানাচ্ছেন ডোমপাড়ার বাসিন্দারা। তাঁদের বাড়িতেই ২৫ থেকে ৫০ হাজার টাকার বিদ্যুতের বিলে চোখ কপালে উঠেছে তাঁদের। দিন আনি দিন খাই মানুষগুলি এই বিল মেটাতে না পারায় বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
এভাবেই কাটে একমাস। মাধ্যমিক পরীক্ষা থাকায় সম্প্রতি বিদ্যুৎ দফতরের উদ্যোগেই ফের বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্ধারিত দিনের মধ্যে বকেয়া মেটাতে হবে, সেই শর্তে। তা জানার পরেই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ডোমপাড়ার বাসিন্দারা। তাঁদের কথায়, “প্রতিদিনের খাবারই জোটাতে পারি না। সেখানে এই বিল কোথা থেকে দেব!” ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক সুনীল আগরওয়াল অবশ্য সমস্যা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
নওসাদের 'বন্ধু' শামসুরের বিরুদ্ধে এখনই কড়া ব্যবস্থা নয়, ভিডিও কলে জেরা করতে পারবে পুলিশ