
শেষ আপডেট: 7 September 2022 15:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাগুইআটি জোড়া খুন (Baguiati double murder) কাণ্ডে রীতিমতো উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। নিহত দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী খুনের ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ প্রবল। এই ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি কার্যত মেনে নিয়েছেন খোদ রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তদন্তভার গিয়েছে সিআইডির হাতে। এমন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে বুধবার বিকেলে নিহত অতনু দে এবং অভিষেক নস্করের বাড়িতে যান বিধাননগরের বিধায়ক তথা রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose)। সঙ্গে ছিলেন রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভার বিধায়ক অদিতি মুন্সিও। পরে সেখানে যান বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার (CP) সুপ্রতিম সরকার।
সেখানে নিহতের পরিবারের সামনে দাঁড়িয়ে মন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, ‘খুনিদের রেয়াত করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রী দুটো বাচ্চা ছেলের এই নির্মম পরিণতিতে ভীষণই কষ্ট পেয়েছেন। তাই জন্যই সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই ঘটনার তদন্ত শেষ করে দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।’ প্রায় একই সুর শোনা যায় বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের গলাতেও। বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই ঘটনার তদন্তভার সিআইডির হাতে দেওয়া হয়েছে। থানার ওসিকে সাসপেন্ডও করেছে প্রশাসন। ইতিমধ্যে তদন্তও শুরু হয়ে গিয়েছে।’
তবে এদিন শুধু সুজিত নন, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। সন্ধ্যায় সেখানে যান সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বেরনোর পর স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় সিপিএম নেতাদের। যদিও বামেদের দাবি, যারা বিক্ষোভ দেখিয়েছে তারা সবাই তৃণমূলের লোক।
বাগুইআটিতে জোড়া খুনের তদন্ত দ্রুত শেষ করার নির্দেশ সিআইডিকে, নবান্নের আশঙ্কা কী?