
শেষ আপডেট: 24 August 2023 14:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধের সন্ধ্যায় চাঁদে পা। ১৪০ কোটি ভারতবাসী হাতে চাঁদ পেয়ে গিয়েছিল তখনই। দেশের বাকি সকলের মতোই আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছিল বাংলার মানুষজন। কিন্তু সেই সাফল্য আরও আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে ধরা দিয়েছে, যখন জানা গেছে, ভারতের চন্দ্রবিজয়ের কান্ডারিদের মধ্যে রয়েছেন বহু বাঙালি। আর বাঙালির সেই সাফল্যে একা হাতে অনেকটাই ভাগ বসিয়ে দিয়েছে জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (Jalpaiguri government engineering college)।
প্রজেক্ট চন্দ্রযানের (Chandrayan 3) সাফল্যের শরিক যাঁরা, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার এই সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ৬ জন কৃতি ছাত্র (ISRO Bengali Scientists)। সেই খবর সামনে আসতেই আনন্দে আত্মহারা কলেজ কর্তৃপক্ষ। খুশিতে বৃহস্পতিবার ২ হাজার লাড্ডু বিলি করা হয়েছে কলেজের পড়ুয়া, কর্মী এবং অধ্যাপক-অধ্যাপিকাদের মধ্যে।
অন্যদিকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এই অভূতপূর্ব সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা শহর জুড়ে অঘোষিত উৎসবে মেতে ওঠেন মানুষজন। কলেজ কর্তৃপক্ষকে সংবর্ধনা জানাতে ফুল মিষ্টি নিয়ে সেখানে ছুটে যান লায়ন্স ক্লাব অফ জলপাইগুড়ি জেনেসিস-এর সদস্যরা। কলেজে ধুমধাম করে উদযাপনের পরেই সমস্ত বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে নিয়ে কৌশিক নাগের বাড়িতে চলে যান কলেজের অধ্যক্ষ অমিতাভ রায়। কৌশিকের মা সোনালি নাগকে অভিনন্দন জানান সকলে।
ছেলের সাফল্য এবং তাতে মাস্টারমশাইদের এহেন আনন্দ দেখে স্বভাবতই আবেগে ভাসছেন সোনালিদেবী। তিনি জানিয়েছেন, 'খুব ভাল লাগছে। কলেজের প্রিন্সিপাল এসেছিলেন। আমি চাই সব ছাত্রই যেন এভাবে এগিয়ে গিয়ে কলেজের মুখ উজ্জ্বল করে।'
কলেজের অধ্যক্ষ অমিতাভ রায় জানিয়েছেন, 'মিশন চন্দ্রযানে কৌশিক সহ আমাদের কলেজের মোট ছয় ছাত্রের সাফল্যে আমরা গর্বিত। বর্তমান ছাত্রদের আমরা তাদের সাফল্যের কথা জানাতে শুরু করেছি।' এই সাফল্য বর্তমান ছাত্রদের অনুপ্রাণিত করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
হাতে চাঁদ পেলেন তুষারকান্তি, ঘরের ছেলের সাফল্যে আনন্দে মাতোয়ারা বেলডাঙা