
শেষ আপডেট: 22 August 2018 18:30
আত্মহত্যার ঘটনাটা ঘটেছে গত সোমবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ। পুলিশ জানিয়েছে, যে খামারের কাছে মণীশকে ঝুলতে দেখা গিয়েছে সেই খামারের দেওয়ালেই ভয়ানক সব গ্রাফিক্স এবং ছবি আঁকা ছিল। নানা রকম লোগোতে ‘মোমো গেম’-এর সাইন আঁকা ছিল। সেটা দেখেই পুলিশের অনুমান ওই ছাত্র অনেকদিন ধরেই খেলাটি শুরু করেছিল। খেলার একদম শেষ ধাপ পর্যন্ত গিয়েছিল সে। কারণ ‘ব্লু হোয়েল গেম’-এর অভিজ্ঞতাই বলছে, খেলার প্রথম দিকে নানা রকম মামুলি শর্ত দেওয়া হয়। পরে সেটাই ধীরে ধীরে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে থাকে। একদম শেষ পর্যায় হল মৃত্যু।
পুলিশের ধারণা কোনও ভাবে ‘মোমো’ খেলার লিঙ্ক জোগাড় করে ছাত্রটি। এখন প্রশ্ন উঠছে এই লিঙ্ক ছড়াচ্ছে কে বা কারা। এক বা একাধিক অ্যাডমিন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার জলপাইগুড়ির কলেজ পড়ুয়া কবিতা রায়ের মোবাইলে ‘মোমো’ খেলার নিমন্ত্রণ আসে। কবিতা মোবাইলে স্টেটাস চেঞ্জ করে ‘আমি মরে যাবো’ লেখার তিন মিনিটের মধ্যে ওই লিঙ্ক পাঠায় ‘মোমো’র অ্যাডমিন। তার পর খবর আসে মেদিনীপুরের দাসপুর থেকে। এক স্কুল ছাত্রকে ‘মোমো’ খেলতে দেখে তার পরিবারের সোকজন। জানা যায়, প্রথম তিনটি স্টেজ খেলেও ফেলেছিল সে। পরে তার মোবাইলে একটি অজানা নম্বর থেকে ভয়েস কল আসে। যেটা শুনে ভয় পেয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানায় ওই ছাত্রের পরিবার।