দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ করেছিলেন বিজেপি নেত্রী রাজলক্ষ্মী ঘোষ। অভিযোগের তালিকায় সবচেয়ে উপরের নামটা ছিল আরএসএস প্রান্ত প্রচারক- অমলেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের। সূত্রের খবর, সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বাংলার পুলিশ দিল্লিতে গিয়ে গ্রেফতার করল মোহন ভাগবতের ঘনিষ্ঠ স্বয়ংসেবক অমলেন্দুবাবুকে। সূত্রের খবর, সোমবার বিকেলে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারের পর অমলেন্দুবাবুকে ট্রানজিট রিমান্ডে নেয় এই রাজ্যের পুলিশ। রাতের বিমানে তাঁকে দিল্লি থেকে কলকাতায় আনার কথা।
আরএসএস নেতার গ্রেফতার নিয়ে নাকি দিল্লি পুলিশের সঙ্গে বিস্তর খটাখটিও হয় রাজ্য পুলিশের। যদিও এ বিষয়েও সরকারিভাবে পুলিশ কিছু বলেনি।
কয়েকদিন আগেই বেহালা মহিলা থানায় অমলেন্দু চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও রাজলক্ষ্মীদেবী অভিযোগ করেন আরও দুই আরএসএস নেতা বিদ্যুৎ মুখোপাধ্যায় এবং শিবপ্রকাশের বিরুদ্ধে। এরপরই তৎপর হয়ে কলকাতা থেকে রাজধানী গিয়ে পুলিশ তাঁকে পাকড়াও করল বলে জানা গিয়েছে।
বিজেপি তথা আরএসএস নেতাদের অভিযোগ, পরিকল্পনা করে রাজ্যের শাসকদল এই কাজ করিয়েছে। দু’দিন আগেই এলপিজি ডিলারশিপ দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছিল বিজেপি নেতা রঞ্জিত মজুমদারকে। সেক্ষেত্রেও আবার অভিযোগকারী ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিজেপি নেতা অশোক সরকার। যদিও তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্য, পুলিশ পুলিশের কাজ করছে। আইন আইনের পথে হাঁটছে। এ ধরনের অভিযোগ অর্থহীন এবং আপত্তিকর।