দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর চব্বিশ পরগনা: জন্ম থেকে নার্ভের অসুখে ভুগছিল ছেলে। নানা চিকিৎসা করেও মেলেনি সুরাহা। এখন ছেলের বয়স ১১। অভাবের সংসারে আর চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পেরে রেল লাইনে ছেলেকে নিয়েই ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হলেন বাবা।
মর্মান্তিক এই ঘটনাটা ঘটেছে সোদপুরে। ব্যক্তির নাম শ্যামল দাস। পানিহাটির গান্ধীনগরে বাসিন্দা শ্যামলবাবুর সাইকেল সারানোর ছোট্ট দোকান রয়েছে। স্ত্রী গত হয়েছে বহুদিন। অভাবের সংসার।
স্থানীয়েরা জানিয়েছেন, জন্মের পর থেকে শ্যামলবাবুর ছেলে দীপ জটিল স্নায়ুর রোগে আক্রান্ত হয়। অনেক ডাক্তার দেখিয়েও ওই রোগ সারছিল না। তাই তীব্র মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন শ্যামলবাবু। প্রায়ই তাঁকে মনমরা হয়ে থাকতে দেখা যেত। লোকজনের সঙ্গেও মেলামেশা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। শুক্রবার রাতে ছেলেকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।
এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সোদপুর ও আগড়পাড়ার মাঝে ৬ নম্বর রেল গেটের কাছে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন শ্যামলবাবু ও তাঁর ছেলে দীপ।