শেষ আপডেট: 18 November 2019 11:05
তবে একদম শব্দ করে মানুষের মতো বা কথাবলা পাখির মতো কথা বলতে পারে না স্টেলা। খালি যখন যা ইচ্ছে হয় সেইমতো বোতাম টিপে জানান দেয় নিজের মালিককে। স্টেলার মালকিন ক্রিস্টিনা হাঙ্গার হলেন একজন স্পিচ প্যাথলজিস্ট। তিনিই ওই অসাধ্যসাধন করেছেন। কাস্টমাইজড কি-বোর্ডের সাহায্যে নিজের পোষ্যকে মনের ভাব প্রকাশ করা শিখিয়েছেন ক্রিস্টিনা।
https://www.instagram.com/p/B472v1iBPkY/
স্টেলার ওই কাস্টমাইজড কি-বোর্ডে ২৯ রকমের কথার জন্য বিশেষ ২৯টি বোতাম রয়েছে। যার কোনওটি টিপলে 'তাকানো' বোঝায়। কোনওটার মানে 'খেলা করা', কোনওটার মানে 'বেড়াতে যাওয়া', কোনওটায় বা 'খিদে পেয়েছে' বোঝা যায়। থাবা দিয়ে এইসব বোতাম টিপেই মনের ভাব ক্রিস্টিনাকে বুঝিয়ে দেয় স্টেলা। সেজন্য বিশেষ ট্রেনিংও দেওয়া হয়েছে কুকুরটিকে। ক্রিস্টিনা জানিয়েছেন, অনেকসময় একসঙ্গে তিন-চারটে বোতামও টিপে দেয় স্টেলা। সেসময় প্রায় একটা গোটা বাক্যই বুঝিয়ে ফেলে সান দিয়োগোর এই সারমেয়।
বিশেষ এই ট্রেনিংয়ের দৌলতে রাতারাতি নেট দুনিয়ার স্টার হয়ে গিয়েছে এই কুকুর স্টেলা। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন মাধ্যম যেমন ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম সব জায়গাতেই ভাইরাল হয়েছে স্টেলার কীর্তি। একটা ভিডিওতে দেখা গেছে 'লুক' বা 'তাকাও' বোতাম বারবার টিপছে স্টেলা। ক্রিস্টিনা জানিয়েছেন, এমনটা হামেশাই করে থাকে তাঁর পোষ্য। মালিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এটা যে বেশ সহজ উপায় সেটা বুঝে গিয়েছে স্টেলা। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায় ৫ লক্ষের কাছাকাছি ফ্যান ফলোয়ার রয়েছে এই কুকুরবাবাজির।
ক্রিস্টিনা জানিয়েছেন, ঘুরতে যেতে খুব ভালবাসে স্টেলা। তাই দিনের বেশিরভাগ সময়ে 'তাকাও' আর 'বাইরে' এই দুটো বোতামই সবচেয়ে বেশিবার টিপতে দেখা যায় তাঁর পোষ্যকে। নেট দুনিয়ায় স্টেলার কীর্তিকলাপ দেখে হেসে গড়াচ্ছেন নেটিজেনরা। মুগ্ধ প্রায় সকলেই। ভালবাসা জানিয়ে সকলেই বলছেন স্টেলা খুবই মিষ্টি। ট্রেনিং পেয়ে এমন অদ্ভুত ক্ষমতা রপ্ত করতে পারার জন্য তাকে কুর্নিশও জানিয়েছেন নেটিজেনরা। পাশাপাশি সকলেই অভিবাদন জানিয়েছেন স্টেলার মালকিন ক্রিস্টিনাকেও।