
শেষ আপডেট: 9 November 2019 07:51
চিফ বিচারপতি রঞ্জন গগৈ- অসমের বাসিন্দা রঞ্জন গগৈই প্রথম যিনি উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে দেশের প্রধান বিচারপতি হয়েছেন। ১৯৭৮ সাল থেকে গুয়াহাটি হাই কোর্টে প্র্যাকটিস শুরু করেছিলেন তিনি। এরপর ২০০১ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি গুয়াহাটি হাই কোর্টের বিচারপতি হন রঞ্জন গগৈ। পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাই কোর্টেও স্থানান্তর করা হয়েছিল তাঁকে। সুপ্রিম কোর্টের চিফ জাস্টিস হওয়ার আগে ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে সেখানকার প্রধান বিচারপতি হন তিনি। নিজের কেরিয়ারে অসংখ্য মামলার শুনানি করেছেন রঞ্জন গগৈ। আগামী ১৭ নভেম্বর অবসর নেবেন তিনি। ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তার আগেই অযোধ্যা মামলার রায়দান করবেন তিনি।
বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়- ভারতের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে প্রধান বিচারপতি থাকা ওয়াই ভি চন্দ্রচূড়ের পুত্র জাস্টিস ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। ২০১৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত করেন। এর আগে বম্বে হাই কোর্ট এবং এলাহাবাদ হাই কোর্টেও বিচারক হিসেবে যুক্ত ছিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অচল হয়ে যাওয়া বেশকিছু রায়ের বদল করেছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের এই ছাত্র। পরকীয়া, ব্যক্তি অধিকার সংক্রান্ত একাধিক আইনে পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। কারণ এইসব আইনগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার যৌক্তিকতা হারিয়েছিল। মুম্বই এবং ওকলাহামার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাংবিধানিক আইন (comparative constitutional law)-এর অধ্যাপক ছিলেন তিনি।
বিচারপতি অশোক ভূষণ- ১৯৭৯ সালে কেরিয়াস শুরু করেছিলেন অশোক ভূষণ। সেসময় তিনি প্র্যাকটিস করতেন এলাহাবাদ হাই কোর্টে। এরপর ২০০১ সালের এপ্রিল মাসে বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। ২০১৪ সালের জুলাই মাসে এক্রল হাই কোর্টের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। কয়েক মাস পরে অ্যাক্টিং প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নেন তিনি। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে কেরল হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন অশোক ভূষণ। এরপর ২০১৬ সালের ১৩মে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি।
বিচারপতি আবদুল নাজির- ১৯৮৩ সালে কেরিয়ার শুরু করেন বিচারপতি আবদুল নাজির। প্র্যাকটিস শুরু করেন কর্ণাটক হাই কোর্টে। ২০ বছর সেখানেই প্র্যাকটিস করেন তিনি। এরপর ২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে সঙ্গে যুক্ত হন আবদুল নাজির। সেই বছরই অগস্ট মাসে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জে এস খেহারের নেতৃত্বে জাস্টিস আবদুল নাজির তিন তালাক সম্পর্কে রায় দিয়েছিলেন যে এ ধরনের আচরণ আদর্শগত ভাবে পাপ।