চিন্ময়ানন্দ ও নির্যাতিতা দু'জনেরই জামিনের আবেদন খারিজ করল আদালত
দ্য ওয়াল ব্যুরো : ধর্ষণের অভিযোগে ধৃত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা স্বামী চিন্ময়ানন্দ ও তাঁর বিরুদ্ধে যিনি ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন, সেই নির্যাতিতা, দু'জনেরই জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল উত্তরপ্রদেশ আদালত। জামিন পেতে গেলে এ বার
শেষ আপডেট: 30 September 2019 18:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো : ধর্ষণের অভিযোগে ধৃত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা স্বামী চিন্ময়ানন্দ ও তাঁর বিরুদ্ধে যিনি ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন, সেই নির্যাতিতা, দু'জনেরই জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল উত্তরপ্রদেশ আদালত। জামিন পেতে গেলে এ বার তাঁদের উচ্চ আদালতে আবেদন করতে হবে।
সোমবার চিন্ময়ানন্দ ও নির্যাতিতার জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত। আদালতের তরফে জানানো হয়, দু'জনের বিরুদ্ধেই যে অভিযোগ করা হয়েছিল তার সারবত্তা রয়েছে। তাই এই অবস্থায় তাঁদের জামিন দিলে মামলায় তার প্রভাব পড়তে পারে।
২৩ বছরের এক আইনের ছাত্রীর অভিযোগে স্বামী চিন্ময়ানন্দকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। নির্যাতিতা তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনলেও পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে যৌনসঙ্গমের অভিযোগ দায়ের করেছে। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে চিন্ময়ানন্দের পাঁচ থেকে দশ বছরের জেল হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু নির্যাতিতা এখনও দাবি করছেন, তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছিল। চিন্ময়ানন্দ তাঁর স্নান করার ভিডিও তুলে ভয় দেখিয়ে জোর করে তাঁকে ধর্ষণ করেছিলেন বলে অভিযোগ তাঁর। ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে চিন্ময়ানন্দকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাতে পারে আদালত।
অন্যদিকে চিন্ময়ানন্দকে হুমকি দিয়ে ৫ কোটি টাকা চাওয়ার অভিযোগে নির্যাতিতাকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, জেরায় নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন ২৩ বছরের ওই আইনের ছাত্রী। গ্রেফতার হওয়ার পরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে দু'জনকেই হাসপাতালে ভর্তি করে হয়। সোমবার রাতে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
এ দিকে নির্যাতিতার সুবিচারের দাবিতে সোমবার মিছিলের আয়োজন করেছিল কংগ্রেস। কিন্তু সেই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই তা আটকায় পুলিশ। কংগ্রেসের প্রায় ৮০ জন নেতাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। এই বিষয়ে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢড়া অভিযোগ করেছেন, মানুষের কথা বলার অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি সরকার। নিজেদের প্রাক্তন মন্ত্রীকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের পুলিশ।