
শেষ আপডেট: 1 February 2020 09:30
এদিন দু’ঘণ্টা চল্লিশ মিনিটের দীর্ঘ বাজেট বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন ২০২০-২১ অর্থবর্ষে জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য খরচ হবে ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। লাদাখের জন্য খরচ করা হবে ৫ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা। ৩৭০ ধারা উঠে যাওয়ার পর জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করেছে কেন্দ্র। ফলে সন্দেহ নেই বাজেটে যে প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন তা বিপুল।
সেদিন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ৩৭০ ধারা আসলে উপত্যকার মানুষের লাভের লাভ কিস্যু করেনি। মানুষের মৌলিক উন্নতি হয়নি সেখানে। এদিন অর্থমন্ত্রীর কথাতেও উঠে আসে সে কথা। বাজেট বক্তৃতায় নির্মলা বলেন, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের যে নতুন পথ চলা শুরু হয়েছে, তাতে এই আর্থিক বরাদ্দ সেখানকার মানুষের সার্বিক উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হবে।
কাশ্মীরি শাল থেকে রসালো খোবানি, লাদাখের হার্বাল প্রোডাক্ট সোলোর কথা উল্লেখ করেছিলেন মোদী। জোর দিয়েছিলেন কাশ্মীরের পর্যটন, পরিকাঠামো গড়ে তোলার ব্যাপারে। সেই সুরেই নির্মলা বলেন, “কাশ্মীরের যে সম্পদ রয়েছে তাকে যদি ব্যবহার করা যায় তাহলে আমাদের দেশ সারা দুনিয়ার সামনে একটা অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে।”
পর্যবেক্ষকদের মতে, ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর এখন সরকারের উদ্দেশ্য কাশ্মীরের মানুষের আত্মবিশ্বাস অর্জন করা। সেকারণেই ভূস্বর্গে আইআইএম, আইআইটি তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছিলেন মোদী। তাঁদের মতে, নির্মলার বাজেট বক্তৃতায় সেটাই প্রতিফলিত হয়েছে।
যদিও কাশ্মীর নিয়ে যখন আর্থিক বরাদ্দের কথা ঘোষণা করছেন অর্থমন্ত্রী, তখন বিরোধীরা কিছুক্ষণ হইহট্টগোল জুড়ে দেন সংসদে। বিরোধী বেঞ্চ থেকে আওয়াজ ওঠে, “ফারুক আবদুল্লা কোথায়?” যদিও বিরোধীদের সেই হট্টগোল বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বরং তাঁদের স্বর চাপা দিয়েই টানা বক্তৃতা করে যান নির্মলা।