দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনে স্তব্ধ দেশ। বন্ধ সমস্ত ধর্মীয় স্থান। এই প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ ভারতের সমস্ত মন্দির পরিচালনা করে যে ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ড তারা সিদ্ধান্ত নিল প্রায় সাড়ে তিন হাজার কর্মী-পুরোহিতের মাইনে ছাঁটা হবে। একই সঙ্গে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ভক্ত সমাগম হয় যে মন্দিরে কেরলের সেই শবরীমালায় অনলাইনে পুজো নেওয়ার বন্দোবস্ত করা হবে।
ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ডের সভাপতি এন বাসু জানিয়েছেন, এই সময়ে শবরীমালা মন্দিরে সবচেয়ে বেশি ভক্ত সমাগম হয়। ১৪ এপ্রিল সর্বাধিক ভক্ত আসেন মন্দিরে। তাই যাতে অনলাইনে পুজো গ্রহণ করা যায় তার জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, মন্দিরগুলির অর্থসংকট যে জায়গায় পৌঁছেছে তাতে কেরল, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানার সমস্ত মন্দিরের প্রায় সাড়ে তিন হাজার কর্মী ও পুরোহিতের মাইনে কাটা হতে পারে। অন্তত এক মাসের বেতন ছাঁটা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাসু।
বোর্ডের তরফে বলা হয়েছে, কয়েকটি বিষয় রয়েছে যেগুলি ভক্তদের সশরীরে উপস্থিত না হলে করা যায় না। কিন্তু রোজকার অর্চনা, গণপতি হোম এবং নিরঞ্জনের যে রীতি রয়েছে তাতে অনলাইনে পুজো দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গত ১৮ মার্চ শেষ খুলেছিল শবরীমালা মন্দির। কেরল সরকার ১৯ মার্চ থেকে ধর্মীয় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ফলে আর খোলেনি পাথানামথিট্টা জেলার পাহাড়চূড়ার মন্দির। ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ডের সভাপতি জানিয়েছেন, সবকটি রাজ্য সরকার সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মন্দিরগুলির কর্মী-পুরোহিত-সেবায়েতদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল কিন্ত বোর্ড তা গ্রহণ করেনি।