
শেষ আপডেট: 14 October 2020 15:04
উত্তর কলকাতার পুরনো পুজো গুলোর মধ্যে অন্যতম এই সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো। প্রতি বছরই প্রতিমা দর্শনের জন্য দর্শনার্থীদের ঢল নামে এখানে। ঠাকুর দেখার জন্য গভীর রাত পর্যন্ত লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আট থেকে আশি। তবে এ বছর তেমনটা আর হবে না। স্বচক্ষে নয় বরং ভার্চুয়ালি দেবী দর্শন করেই মন ভরাতে হবে সাধারণ মানুষকে। এ নিয়ে অনেক পুজোপ্রেমীর মনখারাপ হলেও পুজো কমিটির এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। এমনকি কমিটির তরফেও বলা হয়েছে, "জানি এই সিদ্ধান্ত কঠিন, জানি এই সিদ্ধান্ত হৃদয়বিদারক। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি মানুষের জীবনের থেকে উৎসবের মূল্য কখনও বেশি হতে পারে না।"
সেই মার্চ মাস থেকে দেশে শুরু হয়েছে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। সময় যত এগিয়েছে ততই মহামারীর ভয়াবহ রূপ দেখেছে মানবজাতি। এই করোনা আবহে বাঙালির দুর্গাপুজো আদৌ হবে কিনা তাই নিয়েই সংশয় ছিল। তবে রাজ্যে পুজো করার অনুমতি দিয়েছে সরকার। নিয়ম-বিধি মেনে পুজোর আয়োজন করেছিল সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারও। তবে গত কয়েকদিনে রাজ্যের ক্রমবর্ধমান কোভিড গ্রাফ দেখে নিজেদের সিদ্ধান্তে বদল এনেছেন ক্লাব কর্তারা।
ইতিমধ্যেই মাঠের সবদিকের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। শোনা গিয়েছে, প্রতিমা এসেও গিয়েছে মণ্ডপে। এর আগে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দর্শনার্থীদের প্রবেশ এবং প্রস্থানের পথও নির্দিষ্ট করা হয়ে গিয়েছিল। তবে করোনা আবহে আর ঝুঁকি নিতে চাইছে না পুজো কমিটি। তাই তারা বলেছেন, মানুষের প্রাণ আগে বাঁচুক। প্রতিমা দর্শন পরের বছরও করা যাবে। তবে দর্শনার্থী না থাকলেও পল্লীবাসীরা মায়ের আরাধনায় যে কোনও খামতি রাখবেন না এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে পুজো কমিটি।