
শেষ আপডেট: 13 July 2020 11:23
অসমের ২৪টি জেলার প্রায় ২০০০ গ্রাম জলের তলায় ছিল গিয়েছে। উচ্চ অসমের ধীমাজি এবং নিম্ন অসমের বরপেটায় ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। কাজিরাঙা ন্যাশনাল পার্কের প্রায় ৭০ শতাংশ ডুবে গিয়েছে। অসমের বনদফতর জানিয়েছে ৪১টি প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে বন্যায়। উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে ৪৯টি প্রাণী। অরুণাচলপ্রদেশের নিম্ন অঞ্চল পাসাইঘাট এবং নামসাই পুরোপুরি ডুবে গিয়েছে জলে তলায়।
অসমের বিপর্যয় মোকাবিলাকারী বিভাগ জানিয়েছে সোনাপুর এলাকায় ধস নেমেছে। এখানে ভূমিধসে মৃত্যুও হয়েছে কয়েকজনের। অসমে বর্ষার মরশুম শুরু হওয়ার পর থেকে বন্যা এবং ধসে এ যাবৎ মৃত্যু হয়েছে মোট ৭০ জনের।
অসমের ১৬টি জেলায় মোট ২২৪টি ত্রাণ শিবির তৈরি হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ২১ হাজার মানুষ। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলাকারী (এনডিআরএফ) দলের সঙ্গে বন্যা বিপর্যস্ত এলাকা থেকে উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছে অসমের বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দল। বন্যা এবং ধসে জেরে অধিকাংশ জায়গায় রাস্তাঘাট এবং নদীর পাড় ভেঙে গিয়েছে। মারা গিয়েছে অসংখ্য গবাদি পশুও। জলের তলায় ডুবে গিয়েছে একরের পর একর চাষের জমি।