Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর

করোনায় হার্টের অসুখ ঠেকাবে, কোমর্বিডিটির রোগীদের জন্য ওষুধ আনছে সিএসআইআর, সায় ড্রাগ কন্ট্রোলের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি চিন্তা কোমর্বিডিটির রোগীদের নিয়ে। হার্টের রোগী, ডায়াবেটিস, লিভার ও কিডনির সমস্যায় ভোগা রোগীদের কোভিড সংক্রমণ প্রাণঘাতীও হতে পারে। করোনা রোগীদের শরীরে যদি আগে থেকেই নানা রকম অসুখ থাকে তাহলে সব ওষু

করোনায় হার্টের অসুখ ঠেকাবে, কোমর্বিডিটির রোগীদের জন্য ওষুধ আনছে সিএসআইআর, সায় ড্রাগ কন্ট্রোলের

শেষ আপডেট: 12 June 2021 10:26

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি চিন্তা কোমর্বিডিটির রোগীদের নিয়ে। হার্টের রোগী, ডায়াবেটিস, লিভার ও কিডনির সমস্যায় ভোগা রোগীদের কোভিড সংক্রমণ প্রাণঘাতীও হতে পারে। করোনা রোগীদের শরীরে যদি আগে থেকেই নানা রকম অসুখ থাকে তাহলে সব ওষুধ খাওয়ানো সম্ভব হয় না। হার্টের সমস্যা, প্রদাহজনিত রোগ হলে স্টেরয়েড দেওয়ার আগেও ভাবনাচিন্তা করতে হয়। সেই সমস্যা দূর করতেই কোভিড চিকিৎসায় নতুন একটি ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছে কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (সিএসআইআর)। এই ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ড্রাগ নিয়ামক সংস্থা। সিএসআইআর জানিয়েছে, কোলচিসিন নতুন ওষুধ নয়। তবে কোভিড থেরাপিতে এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ এখন হচ্ছে। এই ওষুধ হার্টের রোগীদের জন্য কার্যকরী হতে পারে। বিশেষ করে করোনা সংক্রমণের কারণে যদি হৃদরোগ দেখা দেয় বা হৃদপেশিতে অধিক প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন হয়, সেক্ষেত্রে এই ওষুধের ডোজ কাজে আসতে পারে। স্টেরয়েডের মতো অতটা ঝুঁকিও থাকবে না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। Colchicine 0.5 Mg Tablet, कोल्चिसाइन टैबलेट - Maxwell Enterprises, Nagpur |  ID: 23035555333 কেমন ওষুধ কোলচিসিন (Colchicine)? কোলচিসিন যে কোনও প্রদাহজনিত রোগ বা ব্যথাবেদনা সারাতে কাজে আসে। গাউটের ব্যথাতেও এই ওষুধের প্রয়োগ হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন কোভিডের কারণে রক্ত জমাট বাঁধার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে অনেক রোগীর। হৃদপেশিতে তীব্র প্রদাহ হচ্ছে অনেকের। আগে থেকে হার্টের রোগ থাকলে বিপদ Colchicine | C22H25NO6 - PubChemবাড়ছে। এই সব রোগীদের থেরাপিতে কোলচিসিন ব্যবহার করা যেতে পারে। তাছাড়া এই ওষুধের আরও একটা বড় গুণ হল সাইটোকাইন স্টর্ম ঠেকাতে পারে। সার্স-কভ-ভাইরাসের সংক্রমণে শরীরে যে অধিক প্রদাহ তৈরি হয় তার কারণ হল সাইটোকাইন নামক প্রোটিনের অধিক ক্ষরণ। এই প্রোটিনের কাজ হল বাইরে থেকে কোনও সংক্রামক ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা প্যাথোজেন ঢুকলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কোষে সেই বিপদ সঙ্কেত পৌঁছে দেওয়া। অজানা সংক্রামক প্রোটিন দেখলেই ঝড়ের গতিতে কোষে কোষে বিপদবার্তা পৌঁছে দেয় এই সাইটোকাইন প্রোটিন। এই প্রোটিন ক্ষরণেরও একটা নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। যদি দেখা যায় সাইটোকাইন ক্ষরণ বেশি হচ্ছে তাহলে ইমিউন সিস্টেম অতিসক্রিয় হয়ে উঠে সুস্থ কোষেরই ক্ষতি করে ফেলে। তখন রোগীর শরীরে তীব্র প্রদাহ, যন্ত্রণা শুরু হয়। একে বলে সাইটোকাইন স্টর্ম। কোলচিসিন ওষুধ এই সমস্যা ঠেকাতে কাজে আসতে পারে বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের। সিএসআইআরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল টেকনোলজির ল্যাবে কোলচিসিন ওষুধের ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। এই গবেষণায় রয়েছে হায়দরাবাদের লাক্সাই লাইফ সায়েন্স প্রাইভেট লিমিটেডও। সিএসআইআরের ডিরেক্টর জেনারেল শেখর সি মান্ডে বলেছেন, কোভিড আক্রান্ত কোমর্বিডিটির রোগীদের জন্য কার্যকরী হতে পারে কোলচিসিন। এমনিতেও করোনা চিকিৎসায় একাধিক ওষুধের প্রয়োগ বন্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অধীনস্থ ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিস (ডিজিএইচএস)। আইভারমেকটিন, ডক্সিসাইক্লিন, রেমডেসিভির, হাইড্রক্সোক্লোরোকুইন, জিঙ্ক ও মাল্টিভিটামিন জাতীয় ওষুধ বাতিল করার কথাই বলা হয়েছে। সেখানে কোলচিসিন ডাক্তারের ভরসার কারণ হতে পারে কিনা সেটা ক্লিনিকাল ট্রায়ালের পরেই বোঝা যাবে।

```