দ্য ওয়াল ব্যুরো : গোয়ার উপকূলে আছে নৌবাহিনীর বিমানঘাঁটি আইএনএস হংস। শুক্রবার সেখানে নৌবাহিনীর লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট নামাতে সফল হলেন ডিআরডিও-র বিজ্ঞানীরা। বিমানটি যেভাবে নামানো হয়েছে, তাকে বলে অ্যারেস্টেড ল্যান্ডিং। এক্ষেত্রে প্লেন নামার আগে তাঁর গতি কমিয়ে আনা হয়। উপকূলের বিমান ঘাঁটিতে লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফটকে নামাতে পারা বিজ্ঞানীদের বড় সাফল্য বলে বর্ণনা করেছে নৌবাহিনী। এরপর চেষ্টা করা হবে যাতে ওই ধরনের বিমানকে এয়ারক্রাফট কেরিয়ারে নামানো যায়।
https://twitter.com/ANI/status/1172448798536110081
এর আগে হিন্দুস্তান এরোনটিকসের বিজ্ঞানীরা দেশীয় প্রযুক্তিতে তেজস নামে এক ধরনের ফাইটার এয়ারক্রাফট বানিয়েছিলেন। এবার নৌবাহিনীর জন্য ওই ধরনের বিমানই তাঁরা বানিয়ে দিয়েছেন। নৌবাহিনী থেকে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এবার ভারতের বিমানবাহী জাহাজ বিক্রমাদিত্য-য় লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট নামানোর চেষ্টা হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, যেভাবে এদিন যুদ্ধবিমানটিকে অ্যারেস্টেড ল্যান্ডিং করানো গিয়েছে, তাতে প্রমাণ হয়, আমাদের বিজ্ঞানীরা দেশীয় প্রযুক্তিতে ওই ধরনের প্লেন বানানোর দক্ষতা অর্জন করেছেন। এই গবেষণায় অ্যারোনটিক্যাল ডেভলপমেন্ট এজেন্সি, হ্যাল, ডিআরডিও এবং সিআইএসআর ল্যাবের বিজ্ঞানীরা যুক্ত ছিলেন।
কিছুদিনের মধ্যেই বিক্রমাদিত্য বাদে আর একটি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার পেতে চলেছে নৌবাহিনী। তাঁর নাম আইএনএস বিক্রান্ত। তাঁর নির্মাণ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। গত ২০ এপ্রিল নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল সুনীল লাম্বা বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে আইএনএস বিক্রান্তের নির্মাণ শেষ হয়ে যাবে। পরে আর একটি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার বানানোরও চেষ্টা করবে নৌবাহিনী। ভারত মহাসাগরে চিনের শক্তি যেভাবে বেড়ে চলেছে, তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিতে তিনটি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার প্রয়োজন বলে নৌবাহিনী মনে করে।