
শেষ আপডেট: 31 December 2019 12:41
এই মন্তব্যের পরেই পিকের বিরুদ্ধে তোপ দাগে বিজেপি। তাদের তরফে অভিযোগ করা হয়, যারা নির্বাচনী তথ্য ও স্লোগানকে হাতিয়ার করে ব্যবসা করছে, তাদের এই ধরনের মন্তব্যে এনডিএ জোটের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। টুইট করেন বিজেপি নেতা তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদী। টুইটে তিনি লেখেন, “একজন ব্যবসায়ী যিনি নিজের বাজার তৈরি করার চেষ্টা করছেন, তিনি আবার দেশের ভালর কথা বলছেন!” যদিও এই বিতণ্ডা ম্যানেজ করতে আসরে নেমেছেন জেডিইউ প্রধান তথা নীতীশ কুমার।
মঙ্গলবার সাংবাদিকরা নীতীশ কুমারকে এই ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “কোনও বিরোধ নেই। সব ঠিক আছে।” নিজের কথার কোনও ব্যাখ্যা অবশ্য দেননি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে তাঁর ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনার কথাও বলেননি তিনি।
তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রশান্ত কিশোরের এহেন অবস্থান ও মন্তব্যের অন্য রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। কী কারণ? তাঁদের ব্যাখ্যা, প্রশান্ত কিশোর এখন দিল্লির ভোটে আম আদমি পার্টির ভোট কৌশুলী। সেখানে আপের লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধেই। আর গোটা দিল্লীতে প্রায় ২০ লক্ষ বিহারী ভোটার রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের অনেকে মনে করছেন, তাঁদের বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে দিতেই বিজেপিকে লাগাতার খোঁচা দিচ্ছেন পিকে। বিহারের সমীকরণ নিয়েও নিজের দলের বিপরীত অবস্থান নিচ্ছেন।
নীতীশ কুমার আসরে নামার পরও চুপ করে থাকেননি প্রশান্ত কিশোরও। তিনিও টুইট করে সুশীল মোদীর উদ্দেশে বলেন, “২০১৫ সালের বিধানসভাতে হেরে গিয়েও পরিস্থিতির জন্য উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন সুশীল মোদী। তাই তাঁর কাছে রাজনৈতিক জ্ঞান শুনে খুব আনন্দ হচ্ছে!” সব দেখে অনেকেই বলছেন, বিহারের রাজনীতির ময়দান গরম করেই দিল্লিতে ফায়দা নিতে চাইছেন পিকে।