দ্য ওয়াল ব্যুরো : একই মণ্ডপে দুই কনে। বর একজনই। তাঁর নাম সন্দীপ উইকি। দুই কনের মধ্যে একজন তাঁর প্রেমিকা। অপরজন তাঁর বাড়ির পছন্দ করে দেওয়া পাত্রী। মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলা সদর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে ঘোডাডোংরি ব্লকের কেরিয়া গ্রামের বাসিন্দা সন্দীপ। তিনি গত ৮ জুলাই দুই কনেকেই বিবাহ করেন। জেলা প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, সন্দীপ হলেন একজন আদিবাসী যুবক। তিনি সব রীতিনীতি মেনে একইসঙ্গে দুই মহিলাকে বিবাহ করেছেন। তাঁদের একজন হোসাঙ্গাবাদের বাসিন্দা। সন্দীপ যখন ভোপালে পড়াশোনা করতেন, তখন ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। এরপরে সন্দীপের পরিবার কোয়ালারি গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ স্থির করে। দুই পাত্রীকে নিয়ে সন্দীপের পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। বিরোধ মেটাতে সন্দীপ ও দুই তরুণীর পরিবার পঞ্চায়েত ডাকে। পঞ্চায়েতে স্থির হয়, দুই তরুণী যদি সন্দীপের সঙ্গে থাকতে রাজি হন, তাহলে তিনি দু'জনকেই বিবাহ করতে পারবেন।
কেরিয়া গ্রামে বসে বিয়ের আসর। সন্দীপ দুই কনেকে অগ্নিসাক্ষী রেখে বিবাহ করেন। সেখানে গ্রামের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সন্দীপ এবং দুই কনের বাড়ির লোকও ছিলেন। ঘোডাডোংরি জনপদ পঞ্চায়েতের সহ সভাপতি মিশ্রিলাল পারাতে ছিলেন বিয়ের অন্যতম সাক্ষী। তিনি বলেন, তিনটি পরিবারেরই এই বিয়েতে কোনও আপত্তি ছিল না।
করোনা অতিমহামারীর সময় বিবাহ বা অপর কোনও অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হলে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হয়। ঘোডাডোংরির তহশিলদার মণিকা বিশ্বকর্মা বলেন, ওই বিবাহের জন্য অনুমতি নেওয়া হয়নি। তিনি এসম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছেন।