
শেষ আপডেট: 13 July 2018 20:40
প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগে মাদার টেরেসার প্রতিষ্ঠা করা মিশনারিজ অফ চ্যারিটির রাঁচি ইউনিট থেকে শিশু চুরির অভিযোগ ওঠে। গ্রেফতারও করা হয় এক মহিলা কর্মীকে। এরপর মাদার টেরেসা এবং তাঁর স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সরব হয় হিন্দুত্ববাদীরা। তা আরও গতি পায় বৃহস্পতিবার। আরএসএস-এর দিল্লির এক প্রচারপ্রমুখ দাবি তোলেন মাদার টেরেসার নোবেল ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, যে সংস্থার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তাঁর কর্ণধার হিসেবে মাদার টেরেসা ভারতরত্ন পাওয়ারও যোগ্য নন। ১৯৮০ সালে ভারতরত্ন পেয়েছিলেন মাদার টেরেসা। হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণের বিরুদ্ধে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। টুইট করে মিশনারিজ অফ চ্যারিটি এবং মাদার টেরেসার বিরুদ্ধে সংগঠিত আক্রমণের প্রতিবাদও জানান তিনি। কিন্তু এর মধ্যেই টুইট করে বসেন তসলিমা।
আরও পড়ুন- শিশু বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন নির্মল হৃদয়ের নান, ভিডিও প্রকাশ
সাহিত্যমহলের একাংশের মতে, চিরকালই বিতর্ক তৈরি করে প্রচারে থাকতে ভালবাসেন তসলিমা। এই টুইটও সেরকমই বলেই মত তাঁদের। তবে তসলিমার টুইট দেখে অনেকেই বলছেন, এটাকেই হাতিয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ার ময়দানে আরও বেশি করে মেরুকরণের রাজনীতি করবে সঙ্ঘ।
সর্বোপরি তসলিমা বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত। ভারতের নাগরিকত্ব নেই তাঁর। কিন্তু দেশের সরকার তাঁকে এ দেশে আশ্রয় দিয়েছে। এমন একজন ব্যক্তি কি ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত একজন সম্পর্কে এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করে আক্রমণ করতে পারেন? এই প্রশ্ন তুলে অনেকেই বলছেন বল এখন দেশের সরকারের কোর্টে।