বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই সিন্ধিয়ার বিরুদ্ধে পুরানো মামলা ফের চালু করল মধ্যপ্রদেশ সরকার
দ্য ওয়াল ব্যুরো : ২০১৪ সালে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার বিরুদ্ধে শুরু হয়েছিল বেআইনিভাবে জমি দখলের মামলা। প্রমাণের অভাবে ২০১৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকারের আর্থিক অপরাধ দমন শাখা সেই মামলা বন্ধ করে দেয়। সম্প্রতি সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছ
শেষ আপডেট: 13 March 2020 13:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো : ২০১৪ সালে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার বিরুদ্ধে শুরু হয়েছিল বেআইনিভাবে জমি দখলের মামলা। প্রমাণের অভাবে ২০১৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকারের আর্থিক অপরাধ দমন শাখা সেই মামলা বন্ধ করে দেয়। সম্প্রতি সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। বৃহস্পতিবারই তাঁর বিরুদ্ধে সেই মামলা ফের চালু করল কংগ্রেস সরকার।
ওই মামলায় সিন্ধিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন সুরেন্দ্র শ্রীবাস্তব নামে এক ব্যক্তি। গত বৃহস্পতিবার আর্থিক অপরাধ দমন শাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সুরেন্দ্রর অভিযোগ ফের খতিয়ে দেখা হবে। আর্থিক অপরাধ দমন শাখা থেকে প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সুরেন্দ্র ফের অভিযোগ জানিয়েছেন, দলিল জাল করে সিন্ধিয়া তাঁর জমি দখল করেছেন। আমরাও ফের খতিয়ে দেখব, তাঁর অভিযোগ সত্য কিনা।
সিন্ধিয়ার ঘনিষ্ঠ পঙ্কজ চতুর্বেদি শুক্রবার অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেওয়ার জন্য ফের ওই মামলা চালু করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, "প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই কমলনাথ সরকার পুরানো মামলা ফের চালু করেছে। সংবিধানের প্রতি আমাদের বিশ্বাস আছে। কমলনাথ সরকার উপযুক্ত জবাব পাবে।"

দীর্ঘ ১৮ বছর কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন জ্যোতিরাদিত্য। বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “গত ১৮ মাসে আমার স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছে। কৃষকদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পালন করা হয়নি।” কংগ্রেসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ওই দলটি আগে যেমন ছিল এখন আর সেরকম নেই।”
বিজেপির সভাপতি জে পি নাড্ডা বলেন, “আমি এখন রাজমাতা বিজয়রাজে সিন্ধিয়াকে স্মরণ করছি। তিনি জনসঙ্ঘ ও বিজেপির জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করেছিলেন। তাঁর নাতি আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন। তিনি আমাদের পরিবারের সদস্যের মতো। আমি তাঁকে বলেছি, বিজেপিতে আপনি নিজের মতামত প্রকাশের সুযোগ পাবেন।”
মঙ্গলবার সিন্ধিয়া পদত্যাগ করার পরেই মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের ২২ জন বিধায়ক রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন। মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ অবশ্য বলছেন, তিনি ক্ষমতায় টিকে যাবেন। কিন্তু রাজ্যপাল যদি ২২ জন বিধায়কের পদত্যাগ গ্রহণ করেন, তাহলে কংগ্রেস সরকার নিশ্চিতভাবেই গরিষ্ঠতা হারাবে।