
শেষ আপডেট: 4 January 2024 13:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার প্রায় মধ্যরাতে জোকার ইএসআই হাসপাতালে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তার পর ভোর বেলা তাঁকে ফেরানো হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে।
এর পর বেলা গড়াতেই সুজয়কৃষ্ণ, ওরফে কালীঘাটের কাকুর আইনজীবীরা কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন। বুধবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা এজলাসে রুদ্ধদ্বার শুনানির পর কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। ওই শুনানির সময়ে ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসক দলের প্রধানও এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।
বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে বৃহস্পতিবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন কালীঘাটের কাকু। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কালীঘাটের কাকু তথা সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রর আইনজীবীরা দাবি করেছেন সিঙ্গেল বেঞ্চের তরফে এখনও কোনও নির্দেশ নামা আসেনি। তাই কোন নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করা হবে তা বোঝা যাচ্ছে না। যেহেতু বিষয়টি নিয়ে কাকু ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন তাই তাঁর ভয়েস স্যাম্পেল নেওয়া হলেও তা তদন্তের কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
কাকুর আইনজীবীর এই যুক্তির প্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে নির্দেশ নামা পাওয়ার জন্য তাঁকে সিঙ্গেল বেঞ্চ তথা বিচারপতি অমৃতা সিনহার দ্বারস্থ হতে হবে। তারপরই এই মামলার শুনানি সম্ভব।
তবে ইডি সূত্রে বলা হচ্ছে, এ সব ধানাইপানাই করে লাভ নেই। কারণ, সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের যে নমুনা তদন্তের জন্য প্রয়োজন ছিল তা সংগ্রহ করা হয়ে গিয়েছে। এবার তা মিলিয়ে দেখা হবে।
ইডির অফিসারদের বক্তব্য, সুজয়কৃষ্ণের প্রায় সব বেআইনি লেনদেনের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। কলকাতার একটি বড় রিয়েল এস্টেট সংস্থার সঙ্গেও ভালমতো লেনদেন হয়েছে। তার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। সেই মানি ট্রেলের সন্ধান পাওয়ার পর আয়কর দফতরও এখন তা খতিয়ে দেখছে।