আদালত জানিয়ে দিয়েছে, ওই মামলার তদন্তে গোয়েন্দারা চাইলে নতুন করে যে কোনও সন্দেহভাজনকে জেরা করতে পারবেন। প্রয়োজনে বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত আসামীকেও ফের জিজ্ঞাসাবাদ করার পথ প্রশস্ত করল আদালত।

গ্রাফিক্স: দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 9 April 2026 17:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করের (RG Kar) সেই অভিশপ্ত রাতের রহস্যভেদে সিবিআই-এর (CBI) সামনে নতুন জানলা খুলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court)। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, ওই মামলার তদন্তে গোয়েন্দারা চাইলে নতুন করে যে কোনও সন্দেহভাজনকে জেরা করতে পারবেন। প্রয়োজনে বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত আসামীকেও ফের জিজ্ঞাসাবাদ করার পথ প্রশস্ত করল আদালত।
দীর্ঘ আইনি পথ ও পরিবারের আর্জি
২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। পরদিনই পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআই-এর হাতে। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি শিয়ালদহ আদালত সঞ্জয়কে আমৃত্যু কারাবাসের সাজা দিলেও, তদন্তের গভীরতা নিয়ে গোড়া থেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন নির্যাতিতার মা-বাবা। সিবিআই তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তাঁরা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই আইনি লড়াই সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে ফের ফিরে আসে হাইকোর্টের আঙিনাতেই। বস্তুত, নির্যাতিতার মাকে এবারের ভোটে পানিহাটি থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।
হাইকোর্টের নয়া পর্যবেক্ষণ
শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, এই সংক্রান্ত আবেদন শুনবে হাইকোর্টই। সেই প্রেক্ষিতেই বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চের এই নির্দেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আদালতের পর্যবেক্ষণে যে বিষয়গুলি উঠে এসেছে তা হল,
রাজনৈতিক ও আইনি মহলের মতে, এই নির্দেশের ফলে আরজি কর কাণ্ডের নেপথ্যে থাকা তথাকথিত ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ বা অন্য কারও যোগসাজশ ছিল কি না, তা খুঁজে বের করা সিবিআই-এর কাছে অনেক সহজ হল। কারাবাস শুরু হওয়ার পর এখন কি নতুন কোনও তথ্য সিবিআই-এর হাতে আসবে? সেটা সময়ই বলবে।