দশমীতে ইতিমধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আভাস মিলেছে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
.jpg.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 2 October 2025 08:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অষ্টমীর রাত থেকেই ইঙ্গিত মিলেছিল যে পুজো (DurgaPuja2025) শেষ হবে দুর্যোগ দিয়েই। প্রায় হচ্ছেও তাই। নবমীর (Nabami) সকাল থেকে মুখ ভার ছিল আকাশের। দুপুরের পর থেকে নামে বৃষ্টি (Rainfall)। মাঝে সন্ধের কিছুটা সময় তা বন্ধ থাকলেও রাতে আবার হয় বর্ষণ। তবে এতে ঠাকুর দেখায় কোনও খামতি ছিল না। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই দর্শনার্থীদের ঢল (Crowd) নামে শহরের রাস্তায়।
কলকাতার (Kolkata) বেহালা থেকে সল্টলেক, মণ্ডপে মণ্ডপে ঠাকুর দেখার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে (Kolkata Police)। মাঝরাতের পর অনেকাংশে বৃষ্টি শুরু হলেও রাস্তার চাপ কমেনি। বরং ভোর পর্যন্ত কার্যত একই ভিড় ছিল রাস্তায়। দশমীর সকাল থেকেও শহরের নানা অংশে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। তাই ধীরে ধীরে প্যান্ডেল থেকে মানুষের ভিড়ও কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ গঠিত হওয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। এটি নবমীর বিকেলের মধ্যেই নিম্নচাপের রূপ নিয়েছে। তাই আগামী দু-তিন দিন যে বৃষ্টি হচ্ছে তা বলাই বাহুল্য।
দশমীতে ইতিমধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আভাস মিলেছে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছুঁতে পারে বলেও সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।
দশমীতে প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় প্রবল বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এই আবহে কলকাতা পুরসভা পুরোপুরি তৈরি রয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সাংবাদিক বৈঠক তিনি বলেন, ''অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি। দশমীর দিন বৃষ্টি হতে পারে, দুর্যোগের আশঙ্কা। সেই মতো প্রস্তুতি নিতেই আজ বৈঠক করেছি সব বিভাগকে নিয়ে।''
এই প্রসঙ্গে সব পুজো উদ্যোক্তাদের (Puja Committee) উদ্দেশে বিশেষ বার্তাও দিয়েছেন ফিরহাদ। বলেন, নানা প্যান্ডেল সিইএসসি-থেকে (CESC) বিদ্যুৎ নিয়েছে। বৃষ্টির বাড়বাড়ন্ত হলে তারা যেন মণ্ডপের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি বহু মণ্ডপে প্রচুর পরিমাণ প্লাস্টিক, বোতল সহ নানা জিনিস পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেগুলি যাতে দ্রুত সাফ করা যায় সেই ব্যাপারে সহযোগিতা করতে হবে।