
শেষ আপডেট: 28 February 2024 17:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটে জেতার ছ'মাসের মধ্যে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায় আবার বিজেপিতে ফিরলেন। বুধবার বিজেপি ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই এই প্রত্যাবর্তনের কথা বলেন তিনি। যদিও শুভেন্দুর দাবি, বিষয়টিকে যাওয়া-আসা ভাবলে ভুল হবে। কারণ কালিয়াগঞ্জের বিধায়ককে ভয় দেখিয়েছিল তৃণমূল। তিনি এও দাবি করেছেন, শুধু কালিয়াগঞ্জের বিধায়ককে নয়, তাঁদের একাধিক বিধায়ককেই ভয় দেখিয়ে দলে টেনেছে শাসক শিবির।
সালটা ২০২১, মাস সেপ্টেম্বর। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে আসেন কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায়। তাঁর আগমনে ঘাসফুলের তরফে বলা হয়েছিল, উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন দেখেই তিনি তৃণমূলে এসেছেন। এই যোগদানের আগে অবশ্য সৌমেন রায় তৃণমূলেরই সদস্য ছিলেন। সেক্ষেত্রে তাঁর ঘরওয়াপসি একবার হয়েছে। এখন লোকসভা নির্বাচনের আগে এক ঘর থেকে ফের অন্য ঘরে তিনি। মাঝের এই সময়টায় আদতে কী হয়েছিল, তা সাংবাদিক বৈঠকে ব্যাখ্যা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুমোদনে সৌমেনকে আবার দলে নেওয়া হয়েছে। তার কারণ, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব, প্রধানমন্ত্রী সহ বাকিদের বিরুদ্ধে তিনি যা বলেছেন তা নিজে থেকে বলেননি। তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। তৃণমূল ভয় দেখিয়ে তাঁকে দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় এসব বলিয়েছিল। সৌমেনের মনে বিজেপি সম্পর্কে কোনও খারাপ ধারণা নেই।
শুভেন্দু একটি জিনিস বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন যে, এই বিষয়টিকে ঘরওয়াপসি বলা হলেও সৌমেন বিজেপির বিধায়কই ছিলেন এতদিন। তিনি বলেন, মাঝের কিছু সময়ে হয়তো সৌমেন রায় দিকভ্রষ্ট হয়ে গেছিলেন। তবে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজও তাঁকে পরামর্শ দিয়েছেন। তারপরই সৌমেন নিজের সিদ্ধান্ত নেন। বিরোধী দলনেতা জানান, প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি নিয়ে বিধায়কদের একটি বৈঠক আছে। তাতে যোগ দিতে তিনিই সৌমেনকে ডেকেছিলেন। বিজেপির বিধায়ক দলের ডাকেই বৈঠকে যোগ দেবেন।