
শেষ আপডেট: 24 January 2023 16:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জোশীমঠের বিপর্যয়ের (Joshimath) পর বদ্রীনাথ যাত্রা (Badrinath Yatra) নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে। জোশীমঠকে বলা হয় বদ্রীনাথের 'গেটওয়ে'। পুণ্যার্থীরা বদ্রীনাথ যেতে গেলে জোশীমঠের ওপর দিয়ে যেতেন। অনেকে এখানেই বিশ্রাম নিতেন, থাকতেনও। কিন্তু জোশীমঠের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে বলাই যায়, এই শহর এখন এড়িয়েই চলতে চাইবেন পুণ্যার্থীরা। এখন প্রশ্ন, বদ্রীনাথ যাওয়ার বিকল্প রাস্তা কী হবে? সেই নিয়েই এবার আলোচনা শুরু হয়ে গেল প্রশাসন মহলে। অন্যদিকে, জোশীমঠের বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে ফেলার কাজের মধ্যেই নতুন করে ফাটল দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে।
এদিকে, বদ্রীনাথ যাওয়ার বিকল্প পথ হিসেবে হেলাং বাইপাস (Helang Bypass) হতে পারে। কিন্তু এই প্রকল্প শেষ হতে এখন আরও বছর দু'য়েক বাকি। গতবছর সেপ্টেম্বর থেকেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু জানুয়ারির ২ তারিখ জোশীমঠে একাধিক বাড়ি ও হোটেলে ফাটল দেখা দেওয়ার পরেই এই হাইওয়ে তৈরির কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
চলতি বছরে বদ্রীনাথ যাত্রা শুরু হবে আর চার মাস পর থেকেই। কিন্তু কম সময়ের মধ্যে কি বদ্রীনাথ যাত্রার বিকল্প পথ তৈরি করা প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করছে স্থানীয় প্রশাসন। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের (বিআরও) তরফে উত্তরাখণ্ড সরকারকে জানানো হয়েছে।
বদ্রীনাথ যাত্রা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এমন আবহে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর পুণ্যার্থীদের বদ্রীনাথ যাত্রা নিয়ে আশ্বস্ত করেছে। এই দফতরের সচিব রঞ্জিতকুমার সিনহা জানান, 'পুণ্যার্থীদের যাতে কোনওরকম অসুবিধার মধ্যে পড়তে না হয় তারজন্য সবরকম বন্দোবস্ত করবে সরকার। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।' এই নিয়ে মঙ্গলবারই বিআরও-র সঙ্গে বৈঠকে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন।
জোশীমঠে ভয়াবহ ভূমিধসের কারণে ঘরছাড়া হয়েছে সাতশো পরিবার। ছোট্ট পাহাড়ি জনপদ ধ্বংসের মুখে। জোশীমঠের বিভিন্ন বাড়ি, হোটেলে গত ২ জানুয়ারি থেকেই ফাটল ধরতে দেখা গিয়েছিল। সেই ফাটল ক্রমশ চওড়া হয়েছে। তাই শহরের বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে ফেলার কাজ চলছে। কিন্তু এই কাজের মধ্যেই শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে। যা নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসনের কাছে।
জোশীমঠে রাতারাতি উধাও একের পর এক পুকুর! কোথায় গেল সেসব, কী বলছেন স্থানীয়রা?