Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর

ফেলে দেওয়া খাবার থেকে বিদ্যুৎ বানাচ্ছে জাপান

দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রকল্পের নাম ‘জে বায়ো ফুড রিসাইকল’ । গত অগাস্টে প্রকল্প চালু করেছে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন। ফেলে দেওয়া খাবার থেকে দিব্যি বিদ্যুৎ তৈরি করছে সেই সংস্থা। বাজারে বিক্রিও করছে সেই বিদ্যুৎ। এই প্রকল্পে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং

ফেলে দেওয়া খাবার থেকে বিদ্যুৎ বানাচ্ছে জাপান

শেষ আপডেট: 22 November 2018 07:18

দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রকল্পের নাম ‘জে বায়ো ফুড রিসাইকল’ । গত অগাস্টে প্রকল্প চালু করেছে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন। ফেলে দেওয়া খাবার থেকে দিব্যি বিদ্যুৎ তৈরি করছে সেই সংস্থা। বাজারে বিক্রিও করছে সেই বিদ্যুৎ। এই প্রকল্পে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের সহযোগী ইস্ট জাপান রেলওয়ে কোম্পানি এবং জে আর ইস্ট এনভায়রনমেন্ট অ্যাকসেস। জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট হাজিমি ওশিতা জানিয়েছেন, আমরা যে সব কারখানায় মাংস প্রক্রিয়াকরণ করা হয়, আমরা সেখান থেকে ফেলে দেওয়া মাংসের টুকরো সংগ্রহ করি। সেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। আমরা চাই, প্রকৃতিকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে। ওই বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা পরিবেশকে রক্ষা করছি, সেই সঙ্গে তৈরি করছি শক্তি। ওই প্রকল্পে প্রতিদিন ৮০ টন ফেলে দেওয়া খাবারের মাইক্রোবিয়াল ফারমেন্টেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার হয় মিথেন গ্যাস। আমরা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে যে বর্জ্য সংগ্রহ করি তাকে প্রথমে জৈব ও অজৈব, দুই ভাগে ভাগ করা হয়। খাবার যে প্ল্যাস্টিকের পাত্রে থাকে ও যে কাগজে মুড়ে দেওয়া হয়, তা আলাদা হয়ে যায়। প্রথমে জৈব পদার্থের ময়েশ্চার অ্যাডজাস্টমেন্ট করা হয় । তার পরে পাঠানো হয় ফারমেনটেশন ট্যাঙ্কে। সেখানেই বায়োগ্যাস তৈরি হয়। এই বায়োগ্যাস যায় গ্যাস হোল্ডারে। সেখানেই তৈরি হয় বিদ্যুৎ। তা হল পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি। এর ফলে বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইড মেশার সম্ভাবনা থাকে না।

```