দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রকল্পের নাম ‘জে বায়ো ফুড রিসাইকল’ । গত অগাস্টে প্রকল্প চালু করেছে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন। ফেলে দেওয়া খাবার থেকে দিব্যি বিদ্যুৎ তৈরি করছে সেই সংস্থা। বাজারে বিক্রিও করছে সেই বিদ্যুৎ।
এই প্রকল্পে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের সহযোগী ইস্ট জাপান রেলওয়ে কোম্পানি এবং জে আর ইস্ট এনভায়রনমেন্ট অ্যাকসেস।
জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট হাজিমি ওশিতা জানিয়েছেন, আমরা যে সব কারখানায় মাংস প্রক্রিয়াকরণ করা হয়, আমরা সেখান থেকে ফেলে দেওয়া মাংসের টুকরো সংগ্রহ করি। সেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। আমরা চাই, প্রকৃতিকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে। ওই বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা পরিবেশকে রক্ষা করছি, সেই সঙ্গে তৈরি করছি শক্তি।
ওই প্রকল্পে প্রতিদিন ৮০ টন ফেলে দেওয়া খাবারের মাইক্রোবিয়াল ফারমেন্টেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার হয় মিথেন গ্যাস। আমরা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে যে বর্জ্য সংগ্রহ করি তাকে প্রথমে জৈব ও অজৈব, দুই ভাগে ভাগ করা হয়। খাবার যে প্ল্যাস্টিকের পাত্রে থাকে ও যে কাগজে মুড়ে দেওয়া হয়, তা আলাদা হয়ে যায়।
প্রথমে জৈব পদার্থের ময়েশ্চার অ্যাডজাস্টমেন্ট করা হয় । তার পরে পাঠানো হয় ফারমেনটেশন ট্যাঙ্কে। সেখানেই বায়োগ্যাস তৈরি হয়। এই বায়োগ্যাস যায় গ্যাস হোল্ডারে। সেখানেই তৈরি হয় বিদ্যুৎ। তা হল পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি। এর ফলে বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইড মেশার সম্ভাবনা থাকে না।