দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ২ অক্টোবর সৌদি আরবের দূতাবাসে ঢুকেছিলেন ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগি। তার পর থেকেই তিনি নিরুদ্দেশ। সৌদি সরকার স্বীকার করেছে, তিনি খুন হয়েছেন। যে মহিলার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল, তিনি বলেছেন, যদি জানতাম আমাকে বিয়ে করতে গিয়ে খাসোগি খুন হবেন, তা হলে কখনই বিয়েতে মত দিতাম না। তিনি নিখোঁজ হওয়ার পরে ২৫ দিন ধরে আমি মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করছি।
মহিলার নাম হ্যাটিস সিঙ্গিজ। আগের স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পরে হ্যাটিসের সঙ্গে খাসোগির বিয়ের ঠিক হয়। দ্বিতীয় বিবাহের আগে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কাগজপত্র আনতেই খাসোগি গিয়েছিলেন ইস্তানবুলে সৌদি দূতাবাসে। সেখানেই তিনি খুন হন। হ্যাটিস তুরস্কের নাগরিক। সেই দেশের টিভি চ্যানেল হাবেরতুর্ককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, খাসোগি সৌদি দূতাবাসে যেতে চাননি। তিনি তুরস্কে চলে যেতে চাইতেন।
খাসোগি সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনের সমালোচক ছিলেন। যুবরাজই কার্যত সরকার পরিচালনা করেন। তাঁর বিরোধিতা করার জন্যই খাসোগিকে খুন হতে হয়েছে বলে অনেকের ধারণা।
হ্যাটিস বলেন, আমেরিকার বিদেশ সচিব মাইক পম্পিও আমাকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু তিনি কোনও ভালো খবর দিতে পারেননি। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমাকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু আমার মনে হল তিনি নিজের প্রচারের জন্য আমাকে ডাকছেন। তাই আমি যাইনি।
হ্যাটিসের দেশ তুরস্কের পক্ষ থেকে সৌদির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, খাসোগির দেহটি রাখা হয়েছে কোথায়? খুনের দায়ে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ১৮ জনকে।