Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
শয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্য

মহাকর্ষীয় তরঙ্গের খোঁজে লাইগো ডিটেক্টর বসাচ্ছে ভারত, ২৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পে সায় কেন্দ্রের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকার মুখাপেক্ষী হয়ে থাকার দিন শেষ হচ্ছে। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ও মহাজাগতিক রহস্যের খোঁজ এবার ভারত নিজেই করতে পারবে। তার জন্যই অত্যাধুনিক অবজারভেটরি তৈরি হচ্ছে দেশেই। মহাকাশের রহস্য ভেদে লাইগো (LIGO) ডিটেক্টর বসাচ্ছে ভারত। আম

মহাকর্ষীয় তরঙ্গের খোঁজে লাইগো ডিটেক্টর বসাচ্ছে ভারত, ২৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পে সায় কেন্দ্রের

শেষ আপডেট: 6 May 2023 10:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকার মুখাপেক্ষী হয়ে থাকার দিন শেষ হচ্ছে। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ও মহাজাগতিক রহস্যের খোঁজ এবার ভারত নিজেই করতে পারবে। তার জন্যই অত্যাধুনিক অবজারভেটরি তৈরি হচ্ছে দেশেই। মহাকাশের রহস্য ভেদে লাইগো (LIGO) ডিটেক্টর বসাচ্ছে ভারত। আমেরিকাকে টেক্কা দিতে বড় কর্মযজ্ঞ শুরু হয়ে গেছে। ২৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

আমেরিকায় যে ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্র (অ্যাডভান্সড লাইগো ডিটেক্টর) বসিয়ে সরাসরি মহাকর্ষীয় তরঙ্গের হদিশ দিতে পারে, এবার তেমনই একটি যন্ত্র ভারতে বসানো হবে। মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলায় লাইগো ডিটেক্টর বসানোর কাজ শুরু হবে। কারণ, ভৌগোলিক অবস্থানের নিরিখে, আমেরিকার কার্যত, ‘বিপরীত মেরু’তে থাকা ভারতে একই ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্র বসানো না হলে, মহাকাশে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের অন্য উৎসগুলি অজানাই থেকে যাবে। তাই এখন শুধুই আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বের নজর ভারতের দিকে।

হ্যান্ডসাম শনি গ্ল্যামার হারাচ্ছে, ক্ষয়ে যাচ্ছে একের পর এক বলয়

বছর চারেক আগেই যার তোড়জোড়-প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন ভারতের মহাকাশবিজ্ঞানীরা। প্রস্তাবিত ‘লাইগো-ইন্ডিয়া’ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। সরকারি সূত্রের খবর, এই প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মহাকাশবিজ্ঞানে ভারতকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রথমবার মহাকর্ষীয় তরঙ্গের খোঁজ পাওয়ার পরেই, টুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছিলেন, ‘‘এ বার লাইগো-ইন্ডিয়া প্রকল্পও হবে।’’

বস্তুত, আমেরিকার ওয়াশিংটন স্টেটের হ্যানফোর্ড ও লুইজিয়ানার লিভিংস্টোনে চালু হওয়া ‘লেসার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ অবজারভেটরি’ (লাইগো) ও ভারতে প্রস্তাবিত লাইগো-ইন্ডিয়া- দু’টি প্রকল্পেই সামনের সারিতে রয়েছেন বাঙালি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

মহাকাশের এই দুই দৈত্যাকার মহাজাগতিক বস্তু একে অপরের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করছে। এই সংঘর্ষের ফলে তৈরি হচ্ছে তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ যা ঢেউয়ের মতো কম্পন তুলে ছড়িয়ে পড়ছে মহাশূন্যে। এই ঢেউয়ের কম্পনকেই বলে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ (Gravitational Wave)।  তাঁর সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদে এমন মহাকর্ষীয় তরঙ্গের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন আইনস্টাইন।

মহাকাশবিজ্ঞানীরা বলছেন রহস্যময় কোনও মহাজাগতিক বস্তু (Mysterous Object) থেকে এক জোরালো মহাকর্ষীয় তরঙ্গকে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। গান্ধীনগরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ও চেন্নাইয়ের ম্যাথেমেটিক্যাল ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা  ‘লাইগো’ (LIGO) ও  ‘ভার্গো’ (VIRGO) গ্র্যাভিটি ওয়েভ ডিটেক্টরের এই রহস্য মহাকর্ষীয় তরঙ্গের খোঁজ পেয়েছেন। লাইগো ও ভার্গো এই গ্র্যাভিটি ওয়েব ডিটেক্টরগুলি রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে। ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব গ্র্যাভিটেশনাল ফিজিক্সের গবেষক অভিরূপ ঘোষ বলেছেন, এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গের নাম রাখা হয়েছে ‘গ্র্যাভিটি ওয়েভ ১৯০৮১৪’ ।  দীর্ঘ সময় পরে ফের মহাকর্ষীয় তরঙ্গের দেখা মিলেছে মহাকাশে। মহাকাশবিজ্ঞানীদের অন্যতম বড় খোঁজ। তবে আমেরিকার সাহায্য নিয়ে তবেই এই অসাধ্য সাধন হয়েছে। ভারতে লাইগো ডিটেক্টর বসে গেলে এ দেশের বিজ্ঞানীরাই মহাকর্ষীয় তরঙ্গের খোঁজ দিতে পারবেন।

ভারতের বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমেরিকায় যে অ্যাডভান্স্‌ড লাইগো-ডিটেক্টর যন্ত্রে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের প্রথম সরাসরি হদিশ মিলেছে, তা দিয়ে মহাকাশে ২৫ কোটি আলোকবর্ষ দূর পর্যন্ত উৎস থেকে ছড়িয়ে পড়া মহাকর্ষীয় তরঙ্গের সন্ধান মিলতে পারে। আর ভারতে যে যন্ত্রটি বসানোর কথা ভাবা হচ্ছে, তা কম করে তার তিন গুণ বা ৬০ কোটি আলোকবর্ষ দূর পর্যন্ত উৎস থেকে ছড়িয়ে পড়া মহাকর্ষীয় তরঙ্গেরও হদিশ দিতে পারবে।


```