
শেষ আপডেট: 15 February 2023 06:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৪ ঘণ্টা পরও দিল্লি ও মুম্বইয়ের বিবিসি অফিসে (BBC office) আয়কর কর্তারা ‘সমীক্ষা’ চালিয়ে যাচ্ছেন। আয়কর দফতর (Income tax) সরকারিভাবে এই অভিযানকে ‘হানা’ বলছে না। তারা বলছে এটা রুটিন সমীক্ষা। তারা বিবিসি’র ব্যবসা সম্পর্কিত লেনদেন খতিয়ে দেখছে। গতকাল সকাল থেকে শুরু হয়েছে তাদের সমীক্ষা (investigation)।
গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে বিবিসি-র তথ্যচিত্র নিয়ে দেশে শোরগোল চলছে। তার মধ্যেই আয়কর দফতরের অভিযান ঘিরে বিতর্ক আরও চড়েছে। বিরোধীরা বলছে, এটা সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা। কংগ্রেস বলেছে, বিনাশকালে বুদ্ধি লোপ পেয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকারের।
প্রসঙ্গত, ২০০২-এর গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে বিবিসির তৈরি তথ্যচিত্রকে কেন্দ্র করে ভারতে বিতর্ক চলছে। বিবিসি তথ্যচিত্রটি ভারতে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেনি। কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে সেটি ছড়িয়ে পড়ে। তথ্যচিত্রটিতে গুজরাতের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকা এবং ভারতে মুসলিমদের দুর্দশা তুলে ধরা হয়েছে।
কেন্দ্র সরকার ভারতে এই তথ্যচিত্র প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সেই নির্দেশ নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। উচ্চ আদালত, কেন্দ্রের থেকে নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানতে চেয়েছে।
এই বিতর্ক যখন চলছে সেই আবহেই বিবিসি-র দুই অফিসে আয়কর হানা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ওয়াকিবহাল মহলের অনেকের মতে, গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে বিবিসি-র বিতর্কিত তথ্যচিত্রই এর কারণ হতে পারে।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতে বিবিসি’র অধিকাংশ কর্মচারীকেই অফিস ছাড়ার অনুমতি দেন আয়কর কর্তারা। কয়েকজনকে থেকে যেতে বলা হয়। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক কর ও লেনদেন খতিয়ে দেখছে আয়কর দফতর। বিবিসি সূত্র দাবি করেছে, তারা আয়কর দফতরের সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা করছে।
পারদের ওঠামানায় শিশুদের জ্বর-সর্দি বাড়ছে, ঠাঁই নেই অবস্থা বর্ধমান মেডিক্যালে