
দোষীকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জেলে
শেষ আপডেট: 11 July 2024 18:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: মায়ের খুনে অভিযুক্ত বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিল নাবালক ছেলে। তার দেওয়া সাক্ষ্যয় আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন বাবা। এবার ওই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সাজা শোনালেন বিচারক।
২০০৬ সালে ধনিয়াখালি থানার এলাকার জামাইবাটি কাপগাছি গ্রামের বাসিন্দা সেখ নজিবুলের সঙ্গে বিয়ে হয় চক-সুলতান গ্রামের সাবিনা বেগমের। বিয়ের কয়েক বছর পরে স্থানীয় এক মহিলার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পরেন নজিবুল। এই নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি চলছিল।
২০১৫ সালের ২৫ আগস্ট অশান্তি চরমে ওঠে। ওই রাতে বালিশ চাপা দিয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করে নজিবুল। সন্তানদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। সাবিনার বাবা মতিয়ার রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত নজিবুলকে গ্রেফতার করে ধনিয়াখালি থানার পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চলার পরে ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর মাসে চার্জশিট পেশ করে তদন্তকারীরা। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৪৯৮/এ, ৩০২, ২০১ ধারায় মামলা রুজু হয়।২০২২ সালে বিচারকের কাছে বাবার বিরুদ্ধে গোপন জবানবন্দি দেয় অভিযুক্তের নাবালক ছেলে। মোট ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। তার পরেই অভিযুক্তের যাবজ্জীবনের সাজা শোনাল আদালত।
চুঁচুড়া আদালতের সরকারি আইনজীবী শঙ্কর গাঙ্গুলি বলেন, অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছেন বিচারক। মৃত সাবিনা বেগমের ১৩ বছরের ছেলে সাহিলের সাক্ষী এই মামলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। যখন সাহিলের বয়স ৬ বছর তখন সে বিচারকের সামনে গোপন জবানবন্দি দিয়েছিল। এখন তার তেরো বছর বয়সে স্বাক্ষ্য দেয় সে। বুধবার হুগলি জেলা আদালতের তৃতীয় অ্যাডিশনাল সেশন জাজ কৌস্তব মুখোপাধ্যায় সেখ নজিবুলকে দোষী সাব্যস্ত করেন।বৃহস্পতিবার সাজা ঘোষণা করেন।