
শেষ আপডেট: 24 October 2024 18:55
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: হিল্লিদিল্লি ঘুরে তিরুবনন্তপুরমে ধরা পড়ল জাল নোট তৈরিতে অভিযুক্ত দুজন। এই নিয়ে পান্ডুয়ার জালনোট কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ধরা পড়ল ছজন। ধৃত দুই যুবককে বৃহস্পতিবার চুঁচুড়া আদালতে পাঠায় পান্ডুয়া থানার পুলিশ।
পয়লা অক্টোবর বৈঁচিগ্রাম চৌবেরাবাজারে নকল ৫০ টাকার নোট দিয়ে কেনাকাটা করার অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পারে পান্ডুয়ার বোসপাড়ায় জাল নোট ছাপা হত। এলাকারই যুবক সেখ নাজিমুদ্দিন, শেখ রোহন ও সেখ আরমানকে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে ডানকুনি থেকে শেখ সাদ্দাম নামে এক জনকে গ্রেফতার করে।
তাদের জেরা করেই হদিশ মেলে বোসপাড়ার বাসিন্দা শেখ গুলশান এবং দাইপুকুরের বাসিন্দা শেখ সোয়েল নামে দুই যুবকের। অভিযোগ, তারাও এই নকল নোট ছাপানোর সঙ্গে যু্ক্ত ছিল। ধৃতদের বাড়ি থেকে ল্যাপটপ, জাল নোট, মোবাইল ফোন ও প্রিন্টার বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তবে তাদের ধরা যায়নি। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে অভিযুক্ত সেখ গুলশন ও সেখ সোহেল প্রথমে বাইক নিয়ে খড়্গপুর যায়। সেখান থেকে বীরভূমে পৌঁছয়। গা ঢাকা দিতে এরপর আজমের শরিফ হয়ে দিল্লি চলে যায়। দিল্লি থেকে গোয়ায় যায়।
খবর পেয়ে গোয়ায় পৌঁছয় হুগলি গ্রামীণ পুলিশের স্পেশাল টিম। কিন্তু অল্পের জন্য হাত ফসকে যায় দুজন। দুই অভিযুক্ত গোয়া থেকে দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে তিরুবনন্তপুরমে চলে যায়। কেরলের কোচি পুলিশের সাহায্য নিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করে। হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অভিজিৎ সিনহা মহাপাত্র বলেন, "ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হবে। এই চক্রে আরও কেউ আছে কিনা তার খোঁজ চালানো হবে। অভিযুক্তরা জুয়েলারির কাজে গুজরাট মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে থেকেছে। তাই অনেক জায়গা সম্পর্কেই ধারণা রয়েছে তাদের। তাই পুলিশের তাড়া খেয়ে একাধিক রাজ্যে ঘুরে বেড়িয়েছে তাঁরা।" অনেক চেষ্টার পর অবশেষে তাদের ধরতে সক্ষম হয় পুলিশ।