Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
শয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্য

শিখ দাঙ্গার ৩৪ বছর পরে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ২

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ১৯৮৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিহত হওয়ার পরে দেশ জুড়ে শুরু হয়েছিল শিখবিরোধী দাঙ্গা। খুন হয়েছিলেন ৩ হাজার মানুষ। তার ৩৪ বছর বাদে, মঙ্গলবার সেই দাঙ্গায় দুজনকে খুন করার অপরাধে দিল্লির আদালত প্রাণদণ্ড দিল দুই

শিখ দাঙ্গার ৩৪ বছর পরে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ২

শেষ আপডেট: 20 November 2018 11:52

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ১৯৮৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিহত হওয়ার পরে দেশ জুড়ে শুরু হয়েছিল শিখবিরোধী দাঙ্গা। খুন হয়েছিলেন ৩ হাজার মানুষ। তার ৩৪ বছর বাদে, মঙ্গলবার সেই দাঙ্গায় দুজনকে খুন করার অপরাধে দিল্লির আদালত প্রাণদণ্ড দিল দুই ব্যক্তিকে। ’৮৪ সালের ১ নভেম্বর দিল্লির মহীপালপুর অঞ্চলে খুন হয়েছিলেন হরদেব সিং ও অবতার সিং। খুনের দায়ে যে দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তারা হলো নরেশ শেরাওয়াত ও যশপাল সিং। অপর এক ব্যক্তিকেও ওই খুনে জড়িত থাকার অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। দিল্লির শিখবিরোধী দাঙ্গা নিয়ে ২০১৫ সালে বিশেষ তদন্তকারী টিম গঠন করে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই টিম অভিযুক্ত তিন জনের বিরুদ্ধে কোর্টে প্রমাণ পেশ করেছিল। গত বুধবার তারা দোষী সাব্যস্ত হয়। অতিরিক্ত দায়রা আদালতের বিচারক অজয় পাণ্ডে বলেন, অভিযুক্তরা শিখ সম্প্রদায়ের মানুষকে খুনের উদ্দেশ্যে জমায়েত করেছিল। তাদের নেতারা যে ধরনের স্লোগান দিয়েছিল, তাতেই একথা বোঝা যায়। তদন্তে তিনজনের অপরাধ নিঃসংশয়ে প্রমাণিত হয়েছে। খুন হওয়ার সময় হরদেব সিং-এর বয়স ছিল ২৬। অবতার সিং-এর বয়স ছিল ২৪। বিচারক বলেছেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, দাঙ্গার সময় ৮০০ থেকে হাজার মানুষ শহর জুড়ে খুন ও লুঠপাট চালিয়েছিল। নরেশ শেরাওয়াত এবং যশপাল সিং স্থানীয় এক নেতার নির্দেশে দুজনকে খুন করে। নিহত হরদেবের ভাই সঙ্গত সিং সাক্ষ্য দিতে গিয়ে জানান, এক কংগ্রেস নেতা ও নরেশ শেরাওয়াত এক উত্তেজিত জনতাকে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। আমাদের তারা আক্রমণ করতে এলে আমরা দৌড়ে সুরজিত সিং নামে একজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলাম। সুরজিত সিং-ও এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছে। দৌড়ে পালানোর সময় তাঁরা দেখেন তাদের দোকান লুঠপাট ও ভাঙচুর হচ্ছে। সেই কংগ্রেস নেতা ও নরেশ জনতাকে বলে, যারা পালাচ্ছে তাদের তাড়া কর। সঙ্গতরা সুরজিতের ঘরে আশ্রয় নিয়েছিল। জনতা ঘরের জানলা ভেঙে ঢোকে। হরদেবকে তার নিজের কৃপাণ দিয়েই খুন করে। ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। সঙ্গত নিজেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন। পাঁচদিন পরে হাসপাতালে তাঁর জ্ঞান ফেরে। তখন জানতে পারেন, তাঁর ভাই খুন হয়ে গিয়েছেন। নরেশের পক্ষের কৌঁসুলি ও পি শর্মা বলেন, তদন্তকারীরা কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করেননি। খুনের অস্ত্রও পাওয়া যায়নি। বিচারক বলেন, ঘটনার ৩০ বছর বাদে খুনের অস্ত্র পাওয়া সম্ভব নয়। নিরপেক্ষ কারও পক্ষে এই ঘটনা ঠান্ডা মাথায় দেখাও সম্ভব নয়।

```