Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
শয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্য

চিন বসিয়েছে এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম, পাল্টা মজবুত এয়ার ডিফেন্স নিয়ে তৈরি ভারতীয় বায়ুসেনা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সীমান্তে রাশিয়ার থেকে কেনা এস-৩০০ ও এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করেছে চিন। তিব্বতের কাছে এয়ারবেসে চিনা বায়ুসেনার তৎপরতাও দেখা গেছে। এদিকে চিনের রেড আর্মি সীমান্ত পেরিয়ে ক্রমশই ঢুকে আসছে ভারতীয় ভূখণ্ডে। চিনা বাহিনীর আস্ফাল

চিন বসিয়েছে এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম, পাল্টা মজবুত এয়ার ডিফেন্স নিয়ে তৈরি ভারতীয় বায়ুসেনা

শেষ আপডেট: 29 June 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সীমান্তে রাশিয়ার থেকে কেনা এস-৩০০ ও এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করেছে চিন। তিব্বতের কাছে এয়ারবেসে চিনা বায়ুসেনার তৎপরতাও দেখা গেছে। এদিকে চিনের রেড আর্মি সীমান্ত পেরিয়ে ক্রমশই ঢুকে আসছে ভারতীয় ভূখণ্ডে। চিনা বাহিনীর আস্ফালণ যতই বাড়ুক, চুপ করে বসে নেই ভারতও। আকাশসীমাকে সুরক্ষিত করতে ইতিমধ্যেই এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করেছে ভারত। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় চক্কর কাটছে ভারতীয় বায়ুসেনার একাধিক কমব্যাট ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট। কৌশলগত পদক্ষেপে চিনের থেকেও কয়েক কদম এগিয়েই আছে ভারতীয় বায়ুসেনা। মেজর জেনারেল ডক্টর জিডি বক্সী (অবসরপ্রাপ্ত) গতকাল টুইট করে জানিয়েছিলেন, ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম দেখে চিনের বায়ুসেনা (পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্স) রুশ প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক এস-৩০০ ও এস-৪০০ এয়ার ওয়েপন সিস্টেম মোতায়েন করেছে। তাছাড়াও চিনের কাছে আছে এলওয়াই ৮০ ও আরও কিছু এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। তবে ভারতীয় বায়ুসেনাকে টক্কর দেওয়া অত সহজ নয়। ভারত অনেক আগে থেকেই পূর্ব লাদাখ সীমান্তে আকাশসীমাকে সুরক্ষিত রাখার কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়ে রেখেছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় দুই দেশের বাহিনীর মুখোমুখি সংঘাতের আগে থেকেই লাদাখে টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাঙ্ক মোতায়েন করা শুরু করেছিল ভারতীয় বাহিনী। সেই সঙ্গে সুখোই, মিরাজ, মিগ-২৯ এর যুদ্ধবিমানও তৈরি রাখা হয়েছে। নামানো হয়েছে অ্যাটাক হেলিকপ্টার ও সশস্ত্র হেরন ড্রোন। https://twitter.com/GeneralBakshi/status/1277663625377792000?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1277663625377792000%7Ctwgr%5E&ref_url=https%3A%2F%2Ftheprint.in%2Fdefence%2Fchina-deploys-s-400s-iaf-has-war-gamed-the-scenario-multiple-times-for-air-ops%2F451417%2F অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেলের কথায়, ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায় গালওয়ান উপত্যকায় যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করা ও রণকৌশলের দিকে থেকে চিনা বাহিনীর থেকে অনেকটাই এগিয়ে ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনা। কারণ চিনা বাহিনীকে বহুদূর থেকে সামরিক সরঞ্জাম বয়ে আনতে হচ্ছে। অথচ পূর্ব লাদাখের কাছেই পঞ্জাব, হরিয়ানা, কাশ্মীর, লেহ-সহ ভারতের একাধিক এয়ারবেস রয়েছে যেথান থেকে সামরিক সরঞ্জাম উড়িয়ে আনা অনেক বেশি সহজ। লাদাখ সেক্টরে সবসময়েই দুই দেশের বাহিনী মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর প্যাঙ্গং লেকের ফিঙ্গার পয়েন্টগুলিতে টহলদারি নিয়ে প্রায়ই দুই বাহিনীর মধ্যে ঝামেলা লেগে যায়। তাছাড়া ভারতের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাকে নিজেদের দাবি করে মাঝেমধ্যেই চিনা ফৌজ ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে। তাই সীমান্ত সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হলে কীভাবে তার মোকাবিলা করা হবে সেই প্রস্তুতি আগে থেকেই করে রাখে ভারতীয় বাহিনী। আর ভারতীয় বায়ুসেনার সামরিক শক্তি এবং স্থলবাহিনী বিশেষত ঘাতক মাউন্টেন ফোর্সের শক্তির কথা স্বীকার করে চিনও।

আরও পড়ুন: পূর্ব লাদাখে আলট্রা-লাইট হাউইৎজার কামান মোতায়েন করল ভারত, কৌশলগত পদক্ষেপ ভারতীয় সেনার

চিনের মোকাবিলায় কী কী প্রস্তুতি রয়েছে ভারতের ভারতের আকাশসীমাকে সবরকমভাবে সুরক্ষিত রাখতে কমব্যাট ফাইটার জেট নামিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। টহল দিচ্ছে সুখোই-৩০, মিরাজ-২০০০ ফাইটার জেট ও মিগ-২৯ ফাইটার জেটের নয়া ভার্সন। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ডাবল ইঞ্জিন মাল্টিরোল এয়ার সুপিরিয়রিটি ফাইটার জেটগুলির অন্যতম হল এই সুখোই। এই ফাইটার জেট থেকে আবার ব্রাহ্মস মিসাইল ছোড়ার প্রযুক্তিও রয়েছে ভারতের। এই মুহূর্তে ভারতের হাতে তিন স্কোয়াড্রন মিগ-২৯ ফাইটার জেট রয়েছে। গতি ২৪৪৫ কিমি প্রতি ঘণ্টায়। তবে রাশিয়ার থেকে আরও ১২টি সুখোই-৩০ ও ২১টি মিগ-২৯ কিনতে চলেছে ভারত। শক্তিশালী অ্যাটাক হেলিকপ্টার অ্যাপাচে এএইচ-৬৪ই, সিএইচ-৪৭ এফ চিনুক মাল্টি-মিশন হেলিকপ্টারও নামিয়েছে বায়ুসেনা। তাছাড়া সীমান্তে টহল দিচ্ছে ইজরায়েলি সশস্ত্র হেরন ড্রোন। ‘আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল’ (ইউএভি) হেরন টিপি (Eitan) ড্রোনের প্রতিটিতেই অস্ত্র ভরার ব্যবস্থা আছে। দূরপাল্লার এই ড্রোন দিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে অনায়াসেই টার্গেট করা যাবে। পাশাপাশি, এর বিশেষ ক্যামেরা যে কোনও আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে যে কোনও সময় শত্রু ঘাঁটির ছবি তুলে আনতে পারবে।

আরও পড়ুন: চিনের মোকাবিলায় রাশিয়ার থেকে বিধ্বংসী এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম কিনছে ভারত, ৩০০টি লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে একসঙ্গে

২৭ জুলাই ফ্রান্স থেকে প্রথম দফায় ৬টি রাফাল ফাইটার জেট চলে আসছে ভারতের হাতে। অনেক উঁচু থেকে হামলা চালানো, যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করা, মিসাইল নিক্ষেপ এমনকি পরমাণু হামলা চালানোর ক্ষমতাও রয়েছে রাফালের। সেই সঙ্গেই  ‘মেটিওর’ এবং ‘স্কাল্প’ নামে দুটি মিসাইলও পেতে চলেছে ভারত। লক্ষ্যসীমার বাইরে নিপুণ আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ‘মেটিওর’। এটি হল বিয়ন্ড ভিসুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল। ১২০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও নিখুঁত টার্গেট করতে পারে।  আর ‘স্কাল্প’  হল লো-অবজার্ভর ক্রুজ মিসাইল। ৬০০ কিলোমিটার পাল্লা অবধি লক্ষ্যে টার্গেট করতে পারে এই মিসাইল। পূর্ব লাদাখে এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেমের মোতায়েন করছে ভারত। আপাতত ‘কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম’ মোতায়েন শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আমেরিকার থেকে কেনা এম-৭৭৭ আলট্রা-লাইট হাউইৎজার মোতায়েন শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় বাহিনী। এম-১০৭, এম-৭৯৫, ইআরএফবি ও এম৯৮২—এই চার ধরনের গোলা ভরা যায় এই কামানে। ২৪-৪০ কিলোমিটার রেঞ্জ অবধি ভারী গোলাবর্ষণ করতে পারে হাউইৎজার কামান। মুখোমুখি সংঘাতে চিনকে জোর টক্কর দিতে সীমান্তে মোতায়েন করা করেছে বিধ্বংসী টি-৯০ ট্যাঙ্ক। ভারতের অন্যতম অস্ত্র রাশিয়ার থেকে কেনা এই ট্যাঙ্কের নাম ‘ভীষ্ম’। দেশের অন্যতম প্রধান এই যুদ্ধ-ট্যাঙ্কের ২এ৪৬এম ১২৫ মিলিমিটার ট্যাঙ্ক-গান থেকে ৬০ সেকেন্ডে ৮টি সেল ছোড়া যায়। রাশিয়ার কাছ থেকে কেনার পর তাতে এক্সপ্লোসিভ রিঅ্যাক্টিভ আর্মার লাগিয়েছে ভারত। দিনে ও রাতে আবহাওয়ার যে কোনও পরিস্থিতিতে এই ট্যাঙ্ক কাজ করতে সক্ষম। যে কোনও পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায় এই ট্যাঙ্ক থেকে। চিনের কাছে অনেক আগে থেকেই এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম রয়েছে। তাই দেশের আকাশসীমাকে সুরক্ষিত রাখতে রাশিয়ার থেকে এস-৪০০ অ্যান্টি-এয়ারক্রাফ্ট ওয়েপন সিস্টেম তথা সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম কিনছে ভারত। আগামী বছরের মধ্যেই এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ ভারতের হাতে চলে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

```