
শেষ আপডেট: 31 October 2019 18:30
উদ্যোক্তাদের দাবি, বেলা বাড়তেই স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা এলে এই রক্তদান শিবির তুলে দিতে বলেন। সরকারি আধিকারিকরা জানান, উপহারের বিনিময়ে রক্তদান বেআইনি। সঞ্জয়বাবু জানিয়েছেন, ৬০ জন স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে এসেছিল। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের চাপে পড়ে রক্তদাতাদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৯ জনে।
‘‘আমরা ছোটখাটো ক্লাব। সরকারি নির্দেশিকা জানি না। উপহারের বিনিময়ে রক্ত দেওয়া ঠিক নয় কে বলল? আইনের কোন ধারায় লেখা রয়েছে? লেখা না থাকলে, আইন না থাকলে মানব কেন,’’ দাবি ক্লাবের সম্পাদক সঞ্জয়বাবুর। তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা কোনও রকম জোরজবরদস্তি করছি না। প্রলোভন দেখিয়ে লোক ডাকাও হচ্ছে না। যাঁরা নিজে থেকে রক্ত দিতে আসছেন, তাঁদেরই উপহার দিচ্ছি। এতে অন্যায়টা কোথায়।’’


পাড়ার যে কোনও ক্লাব হোক বা বৃহত্তর কোনও রক্তদান কর্মসূচি--উপহারের বিনিময়ে রক্তদান শিবিরের জন্য অনুমতি নিতে গেলে প্রথমেই জানিয়ে দেওয়া হয়, এইভাবে রক্ত নেওয়া যাবে না। কারণ, এতে দূষিত রক্ত পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। উপহারের লোভে যে কেউ রোগ গোপন করে রক্ত দেন। তা ছাড়া, রক্তদান শিবিরগুলিতে সে ভাবে শারীরিক পরীক্ষাও হয় না। সঞ্জয়বাবুর বক্তব্য, ‘‘বিয়েবাড়িতে কি আমরা খালি হাতে যাই! কিছু না কিছু উপহার নিয়েই যাই। এটাও ঠিক সেই রকম।’’
ক্লাব উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, তৃণমূলের তাবড় নেতামন্ত্রী রক্তদান শিবিরে উপহার দেন। আর ছোটখাটো ক্লাব বলেই যত দোষ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রক্তের বিনিময়ে উপহার দেওয়া হচ্ছে এটা একেবারেই ঠিক নয়। বরং স্বেচ্ছায় রক্তদান করে ফেরার সময় রক্তদাতাদের হাতে সামান্য উপহার তুলে দেওয়া হচ্ছে।
https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a8/