দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাম জমানার অবসান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গিয়ে ত্রিপুরার ভোট প্রচারে বলেছিলেন, ‘মানিক তাড়িয়ে হীরে আনুন।’ ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে মানিক সরকার জিতলেও সরকার গড়েছে বিজেপি। একদা জিম ট্রেনার বিপ্লব দেব এখন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে। আর কয়েক মাসের নতুন সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে পথে নামল সিপিএম।
বামেদের তরফে দাবি করা হয়েছে, ত্রিপুরার বিস্তীর্ণ অংশে নতুন সরকারের আমলে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। কাজ-খাদ্যের সংকটে ত্রিপুরা ছেড়ে বাংলাদেশ যাচ্ছেন মানুষ। এই নিয়ে বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রশাসনিক ভবনে আন্দোলনও করেছে বামেদের উপজাতি সংগঠন উপজাতি গণমুক্তি পরিষদ। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার গত মঙ্গল ও বুধবার ধলাই জেলা এবং উত্তর জেলায় দুফিনের সফর শেষ করেন। বেশ কয়েকটি এলাকায় যান। কথা বলেন প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গেও। তাঁর বক্তব্য, ‘বেশ কিছু এলাকায় বিজেপি’র লোকজন যেতে বাধা দিয়েছে।’ বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া গণ্ডাছড়া এলাকায় সমস্যা তীব্র আঁকার ধারণ করেছে বলে অভিযোগ বামেদের। বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ত্রিপুরার বর্তমান শাসক দলের বক্তব্য, সিপিএম-এর উপর মানুষ ক্ষুব্ধ। তাই তারা বাধা দিয়েছেন। এর মধ্যে বিজেপি নেই। কাজ এবং খাদ্যের সংকটের অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। তাদের দাবি, এরকম কোনও পরিস্থিতিই নেই ত্রিপুরায়। রেগার কাজ নিয়ে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের জন্য সরকারি প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। চলতি মাস থেকেই রেগার কাজ শুরু হবে।