
শেষ আপডেট: 18 December 2024 19:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: বর্ধমানে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলির বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস। এই হাসপাতালগুলির বিভিন্ন বেনিয়মের কথা তুলে ধরে সরাসরি মঞ্চে উপস্থিত সিএমওএইচকে ঘেরাও করার হুমকি দিলেন বিধায়ক।
বুধবার দুপুরে বর্ধমানের গোদায় প্রোগ্রেসিভ নার্সিংহোম অ্যান্ড হসপিটালস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সভা ছিল। সেখানে
সিএমওএইচ জয়রাম হেমব্রম, পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার, বিধায়ক খোকন দাস উপস্থিত ছিলেন। বর্ধমান ও লাগোয়া এলাকায় কয়েকশো বেসরকারি হাসপাতাল আছে। তাদের বিরুদ্ধে গোছা গোছা অভিযোগ আছে। এদিন সেই নিয়েই প্রথমে সরব হন পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার। পরে বিধায়ক কার্যত তুলোধোনা করেন নার্সিংহোম মালিকদের।
বিধায়ক বলেন, "পরিষেবার নাম করে মানুষকে ঠকানো হলে মেনে নেব না। কেন মানুষ বাইরে যাচ্ছেন, তা ভাবতে হবে।আমি এখানে একমাস ধরে ভুগলাম। চেন্নাইতে গিয়ে ঠিক হয়ে এলাম। আপনাদের ভাগ্য, এখনও মানুষ নবাবহাটে আসেন। এখানে একটা হাসপাতাল মানুষকে ঠকায়। বেশি বিল করে। আমি সুযোগের অপেক্ষায় আছি। এভাবে মানুষকে ঠকানো মানি না।"
বিধায়ক আরও বলেন, "কিছু কিছু নার্সিংহোম স্বাস্থ্যসাথীকে ব্যবসায় পরিণত করেছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা আছে। তাই এটা হতে দেব না। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে দু-নম্বরী মানা যাবে না। কোথাও কোথাও কোনও ব্যবস্থা নেই। একতলায় বাইকের দোকান। উপরে নার্সিংহোম। এটা কী রকম ব্যাপার? ধরা পড়লে আবার এরা রাতারাতি নাম পালটে নেয়।"
শেষে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রমকে পাশে বসিয়ে বলেন, "ঠিকভাবে লাইসেন্স দিন। আপনি ব্যবস্থা নিন।নয়তো আপনাকেই ঘেরাও করব।"
এই হুঁশিয়ারিকে মৃদু হেসে এড়িয়ে গেলেন সিএমওএইচ। তিনি বলেন, "ঘেরাও করুন। আলোচনা হবে। কোথাও সমস্যা হলে দেখা হবে। আমি কড়া লোক। সেটা মালিকরা জানেন। স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে আগে অনেক অভিযোগ ছিল। তবে এখন আর নেই। আমাদের নজরদারি আছে।"