দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার সন্ধেতে আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে পাঁচ তলা বাড়িটা। কংক্রিটের চাঙড়ের নিচে চাপা পড়ে যান বাড়ির বাসিন্দারা। একটানা বৃষ্টিতে নাজেহাল মহারাষ্ট্র। তার মধ্যে রায়গড়ে বহুতল ভেঙে পড়ে আতঙ্ক আরও বাড়ে। প্রথমে স্থানীয়রা, পরে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল (এনডিআরএফ) ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। রাতভর ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে চাপা পড়ে থাকা মানুষজনকে বের করে আনা হয়েছে। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে এনডিআরএফের তিনটি দল।
এখনও অবধি একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকারীরা। কংক্রিটের চাঙড় সরিয়ে ৬০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। জখমদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এনডিআরএফ জানাচ্ছে, গতকাল সন্ধে থেকে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। বৃষ্টির জন্য মাটি, পাথর সরিয়ে উদ্ধারকাজে কিছু দেরি হচ্ছে। এখনও অন্তত ২৫ জন মাটি চাপা পড়ে আছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট নাগাদ মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার কাজলপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বাড়িটা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই বহুতলে মোট ৪৭টা ফ্ল্যাট ছিল। মনে করা হচ্ছে, ভারী বৃষ্টির কারণেই এই বিপর্যয় ঘটেছে।
https://twitter.com/Dev_Fadnavis/status/1297913121143627777
দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিশ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
https://twitter.com/AmitShah/status/1297915713148125185
https://twitter.com/PrakashJavdekar/status/1297931622969298949
কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তার তদন্তের জন্য জেলাশাসক নিধি চৌধুরীকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা প্রতিজনকে উদ্ধার করা হবে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে লাগাতার বৃষ্টির কারণে মাটি আলগা হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে তদন্ত করে দেখা হবে।