
শেষ আপডেট: 25 January 2019 18:30
সোমনাথ মন্দির
এতদিন ধরে ব্যবসায়ীদের কথা ভেবেই কোনওরকম সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারছিল না গুজরাট প্রশাসন। কিন্তু, বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও মন্দিরে আসা লক্ষ লক্ষ ভক্তদের দাবির মুখে প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে ভাবনা শুরু করে। দীর্ঘ বৈঠকের পর অবশেষে সোমনাথ ও অম্বাজি মন্দিরে ৫০০ মিটার এলাকাকে নিরামিষ অঞ্চল ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী রূপানি। মূলত, গুজরাটের দু'টি ভি্ন্ন জেলায় অবস্থিত সোমনাথ, অম্বাজি মন্দির। গির-সোমনাথ জেলায় সোমনাথ মন্দির ও বনস্কন্থা জেলায় অম্বাজি মন্দির অবস্থিত। গুজরাট সহ দেশের কয়েক লক্ষ ভক্ত এই মন্দিরে প্রতি বছর ভিড় করেন। পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন প্রয়াত কাদের খান, কুলদীপ নায়ার সোমনাথ মন্দির চত্বর আমিষমুক্ত করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু সংগঠনগুলি বিক্ষোভে নামে। ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচি হয়। কিন্তু গুজরাট পর্যটন দফতরের 'খুসবু গুজরাট কী' প্রচারের মুখে ধামাচাপা পড়ে যায় এই বিক্ষোভ। পর্যটন টানতে গুজরাটের মন্দির এলাকাতে আমিষ খাবারের দোকানগুলি রমরমিয়ে ব্যবসা শুরু করে। সরকারও তাতে কোনওরকম আপত্তি জানায় নি। কিন্তু, ভক্তদের বিক্ষোভের মুখে পরিস্থিতি বদলায় । জানা যাচ্ছে, সোমনাথ ও অম্বাজি মন্দিরে আসা অগণিত ভক্ত মন্দির কমিটির কাছে নিরামিষ অঞ্চলের দাবি করে।
অম্বাজি মন্দির
মূলত, সোমনাথ মন্দির এলাকার পঞ্চাশ শতাংশ মানুষই মৎস্যজাবী। সেক্ষেত্রে সরকারের পক্ষে হঠাৎ মন্দির এলাকাকে নিরামিষ অঞ্চলে পরিণত করার কাজটা যথেষ্ট কঠিন ছিল। গুজরাট প্রশাসন জানাচ্ছে, দীর্ঘ ভাবনা চিন্তার পর মন্দিরের মাত্র ৫০০ মিটার এলাকাকে নিরামিষ অঞ্চল ঘোষণা করা হলো, যাতে মন্দির এলাকার মৎস্যজীবীরা এই সিদ্ধান্তে প্রভাবিত না হয়।